প্রদ্যুম্ন হত্যাকাণ্ডে নয়া মোড় ,আইনজীবীকে মারধর, হুমকি পুলিশের, অভিযোগ দায়ের
প্রদ্যুম্ন হত্যাকাণ্ডে প্রতি মুহুর্তেই ঘটনাক্রম নয়া দিকে মোড় নিচ্ছে। এবার সেই কাণ্ডে উঠে এল এক নতুন তথ্য।
প্রদ্যুম্ন হত্যাকাণ্ডে প্রতি মুহুর্তেই ঘটনাক্রম নয়া দিকে মোড় নিচ্ছে। এবার সেই কাণ্ডে উঠে এল এক নতুন তথ্য । প্রদ্যুম্নর পরিবারের তরফের আইনজীবীকে মামলা থেকে সরে যেতে বলে ও তাঁর স্ত্রীর ওপর পুলিশি নিগ্রহ চলেছে বলে অভিযোগ। শনিবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ পুলিশ , প্রদ্যুম্নর পরিবারের তরফের আইনজীবী সুশীল টেকরিওয়াল ও তাঁর ওপর পুলিশ চড়াও হয় বলে অভিযোগ। পাশাপাশি হুমকিও দেওয়া হয় তাঁদের।

জানা গিয়েছে, আইনজীবী সুশীল চেকরিওয়াল ও তাঁর পরিবার একসঙ্গে ডিনার করতে যান শনিবার রাতে। তখন দিল্লির হোটেল অশোকার সামনে দাঁড়িয়ে থাকার সময়ে , হঠাৎই একটি জিপসিতে চেপে কয়েকজন পুলিশ কর্মী তাঁদের ওপর চড়াও হন বলে অভিযোগ।
আইনজীবী টেকরিওয়ালের অভিযোগ, বন্দুকের নলের সামনে পুলিশ তাদের দাঁড় করিয়ে হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। আইনজীবীকে বলা হয়, প্রদ্যুম্ন মামলায় তিনি যেন প্রদ্যুম্নের পরিবারের তরফে মামলায় অংশ না নেন।
এরপর সুশীলবাবু নিজেকে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী পরিচয় দিলেও তাঁকে হেনস্থা করতে থাকে পুলিশ, বলে অভিযোগ। সুসী বাবু ও তাঁর স্ত্রীকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। সঙ্গে সঙ্গে ১০০ নম্বর ডায়াল করে পুলিশকে ঘটনার কথা জানা আইজীবী সুশীল টেকরিওয়াল। এদিকে, ঘটনার ভিডিও করতে থাকেন সুশীল টেকরিওয়ালের স্ত্রী। ১৫ মিনিট পর ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ।
ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশে এফআইআর দায়ের করেন সুশীল টেকরিওয়াল। তবে , পুলিশের অভিযোগ, প্রভাবশালী হওয়ার কারণে সুশীলবাবুই হোটেলের ভিভিআইপি চত্বরের নিয়ম ভেঙেছিলেন। নিজের প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছিলেন। একটু অপেক্ষা করতে বললে, উলটে পুলিশের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা শুরু করেন তিনি। উল্লেখ্য, প্রদ্যুম্ন হত্যাকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত বহু রকমের চাঞ্চল্যকর মোড় দেখা গিয়েছে। হরিয়ানার রায়ান ইন্ট্যারন্যাশনাল স্কুলে খুন হয়েছিল দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র প্রদ্যুম্ন ঠাকুর। ঘটনায় প্রথমে গ্রেফতার হয়েছিলেন স্কুলেরই বাস কন্ডাক্টর। পরে জানা যায়, প্রদ্যুম্নকে হত্যা করে স্কুলেরই এক একাদশ শ্রেনির ছাত্র। এদিকে ওই বাস কন্ডাক্টর জেল থেকে মুক্তি পেতেই তিনি জানান, পুলিশ তাঁকে জোর করে দোষ স্বীকার করে নিতে বাধ্য করে। কারণ কোনও প্রভাবশালীর পুত্র ওই একাদশ শ্রেনির ছাত্রটি , তাকে বাঁচাতেই এই কাজ করে পুলিশ। এমনই অভিযোগ উঠতে শুরু করে।












Click it and Unblock the Notifications