প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগাম সতর্কতা দেওয়া ছিল! রাজ্যসভায় কেরল সরকারের বিরুদ্ধে ব্যর্থতার ইঙ্গিত অমিত শাহের
২৩-এর পরে ২৪ জুলাই কেরল সরকারকে প্রাথমিক সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল। কেরলের ওয়েনাডে ভূমিধস নিয়ে রাজ্যসভায় এমনটাই বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেছেন, এর আগে ওড়িশা, গুজরাত-সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে ক্ষতি সীমাবদ্ধ করতে কেন্দ্র প্রাথমিক সতর্কতা জারি করেছিল।
অমিত শাহ দাবি করেছেন, কেরলে আগাম এনডিআরএফের নয়টি দলকে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু কেরল সরকার সময়মতো লোকজনকে সরিয়ে নেয়নি। এনডিআরএফের দল আসার পর কেরল সরকার সতর্ক হলে ওয়েনাড়ের ক্ষতি কমিয়ে আনা যেত বলেও মন্তব্য করেছেন অমিত শাহ।

কেরল সরকারকে সতর্ক করা হয়েছিল
অমিত শাহ বলেন, কেরলের ওয়েনাড়ের ভূমিধসে যাঁদের মৃত্যু হয়েছে এবং যাঁরা আহত হয়েছেন, তাঁদের পরিবারকে তিনি সমবেদনা জানাচ্ছেন। তবে আগাম সতর্কতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তিনি হাউসে করে বলেন, ভারত সরকার ২৩ জুলাই কেরল সরকারকে একটি আগাম সতর্কবার্তা দিয়েছিল। তারপর ২৪ ও ২৫ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। ২৬ জুলাই জানানো হয়েছিল ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
অমিত শাহ বলেন, ভূমিধস নিয়ে তিনি কিছু বলছেন না। যেহেতু ভারত সরকারের সতর্কীকৎণ ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তাই তিনি বলছেন, সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছিল।
দেশের অন্য রাজ্যগুলিকেও সতর্ক করা হয়েছিল
অমিত শাহ বলেছেন, দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা জোরদার করতে সতর্কতাকে ব্যবহার তকরেছে। অমিত শাহ বলেন, ওড়িশায় ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছিল। সেখানে শুধুমাত্র একজনের মৃত্যু হয়েছিল। গুজরাতে ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছিল, সেখানে একজনেরও মৃত্যু হয়নি।
কেরলে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস
এদিকে আবহাওয়া দফতরের তরফে আগামী ৪৮ ঘন্টায় কেরলে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
ওয়েনাড়ের বর্তমান পরিস্থিতি
কেরলে এখনও পর্যন্ত ১৫০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। অন্যদিকে প্রায় দুশো জনের মতো এখনও নিখোঁজ। আটকে পড়াদের উদ্ধারে ফের উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়েছে। বেস কয়েকটি পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তাঁদের প্রিয়জনদের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। ওয়েনাড়ে ৪৫ টি ত্রাণ শিবির স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে প্রায় তিন হাজার মানুষের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কেরল সরকার ৩০ জুলাইয়ের পরে ৩১ জুলাইতেও রাষ্ট্রীয় শোক পালন করছে।
ওয়েনাড় জেলা প্রশাসন এমন ছবি প্রকাশ করেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে কাঠ ও গ্যাস ভিত্তির চুল্লিতে পাশাপাশি একাধিক মৃতদেহ দাহ করা হচ্ছে। সেখানকার একাধিক উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা ত্রাণশিবির গুলিতে স্বেসেবকের কাজ করছেন।












Click it and Unblock the Notifications