Adani-Hindenburg Case: CBI তদন্তের আর্জি খারিজ, হিন্ডেনবার্গ রিপোর্ট মামলায় সেবিকে ৩ মাসে তদন্তের সময়
আদানিদের বিরুদ্ধে হিন্ডেনবার্গের রিপোর্টের মামলায় সিবিআইয়ের হাতে তদন্তভার দিতে নারাজ সুপ্রিম কোর্টে। সিবিআই তদন্তের আর্জি খারিজ করে সেবির হাতেই তদন্তের ভার বহাল রাখল শীর্ষ আদালত। তবে ৩ মাসের মধ্যে সেবিকে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে তিন বিচারপতির বেঞ্চ।
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চে চলছিল মামলার রায়দান। সেবির বিরুদ্ধে তদন্তে পক্ষপাতের অভিযোগ করা হয়েছিল মামলাকারীদের পক্ষ থেকে। যেহেতু আদানিদের সঙ্গে মোদী সরকারের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে সেহেতু সেবি তদন্তে পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ করা হয়। সেকারণে হিন্ডেনবার্গ রিপোর্টে উল্লেখ দুর্নীতির তদন্ত ভার সিবিআইয়ের হাতে দেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছিল।

এই মামলার রায়দান নিয়ে সকাল থেকেই সকলের নজর ছিল। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হয় সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে শুনানি। তাতে মামলাকারীরা সিবিআই তদন্তের আর্জি জানিয়েছিলেন। কিন্তু আদালত সেই আর্জি খারিজ করে দিয়ে সেবিকেই তদন্তের দায়িত্বে বহাল রাখে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে করা যাবে না তদন্ত তার জন্য ৩ মাসের সময়সীমা বেধে দেওয়া হয়েছে। সেবিকে ৩ মাসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে হবে।
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি পারাডিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চে ছিল মামলার রায়দান। গত বছরের ২৪ নভেম্বর মামলার শেষ শুনানি হয়েছিল। তাতে অভিযোগ করা হয়েছিল তদন্তের দয়িত্ব নিয়ে সেবি পক্ষপাত করছে। মোদী ঘনিষ্ঠ শিল্পপতি আদানি। সেকারণে যথাযথ তদন্ত করছে না সেবি। আদািনদের বাঁচিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।
অভিযোগ করা হয়েছিল মোদী সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে শিল্পপতি আদানিরা শেয়ার বাজারে িনজেদের শেয়ারের দর বাড়ানোর জন্য একাধিক দুর্নীতি করেছে। অনৈতিকভাবে নিজেদের শেয়ারের দর বাড়িয়ে অন্যান্য কোম্পানির ক্ষতি সাধন করেছে। হিন্ডেনবার্গ রিপোর্টে এমই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছিল। যদিও সেই অভিযোগ মিথ্যে বলে দাবি করেছিল আদানিরা।
প্রথম থেকেই আদানিদের বিরুদ্ধে তদন্তের দায়িত্ব সেবির হাতে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাতে একাধিক পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ ওঠে। তারপরে সুপ্রিম কোর্টে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির এএম সাপরের নেতৃত্বে প্যানেল গঠন করে তদন্তের নির্দেশ দেয়। কিন্তু তাতেও আপত্তি জানিয়ে সিট গঠন অথবা সিবিআইয়ের হাতে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়ার আর্জি জানিয়েছিলে মামলাকারীরা। সেই মামলার প্রেক্ষিতেই বুধবার শেষ শুনানি পর্যন্ত সেবিতেই আস্থা রেযেছে শীর্ষ আদালত।
আদানিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদীর ঘনিষ্ঠকতা রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছিল। লোকসভায় এই নিয়ে উত্তাল হয়ে উঠেছিল হয়ে লোকসভা অধিবেশন। এই নিয়ে জোর সমালোচনা শুরু হয়েছিল সংসদে। যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে তখন দাবি করা হয় আদানিদের সঙ্গে মোদীর কোনও ঘনিষ্ঠতা নেই। কাজেই এই নিয়ে বিরোধীরা অকারণে রাজনীতি করছে।












Click it and Unblock the Notifications