করোনায় ধুঁকছে বিস্তীর্ণ গ্রামাঞ্চল, কোভিডে মৃত্যুর আসল পরিসংখ্যানে ‘কারচুপির’ অভিযোগ গুজরাতে
করোনায় ধুঁকছে বিস্তীর্ণ গ্রামাঞ্চল, কোভিডে মৃত্যুর আসল পরিসংখ্যানে ‘কারচুপির’ অভিযোগ গুজরাতে
গোটা দেশের পাশাপাশি করোনায় কাবু গুজরাতও। জারি রয়েছে মৃত্যুমিছিলও। এদিকে বর্তমানে রাজ্যের করোনা পরিসংখ্যানে বেশ কিছু গোলযোগ ধরা পড়ছে বলে জানা যাচ্ছে। সেই সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতি আর সরকারি পরিসংখ্যানে বড়সড় পার্থক্য রয়েছে বলেও খবর। এদিকে পরিসংখ্যান বলছে এখনও পর্যন্ত মোদী গড়ে করোনার কবলে পড়েছেন ৭ লক্ষ ৫২ হাজারের বেশি মানুষ।

আক্রান্তের সংখ্যা খানিক হেরফের হলেও মৃতের আসল সংখ্যাতেই বড়সড় গোলযোগ রয়েছে বলে খবর। এমনকী করোনার দ্বিতীয় পর্বের ঢেউয়ে সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গ্রামাঞ্চল। কিন্তু বর্তমানে রাজ্যের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে দেওয়া করোনা গ্রাফে জেলাগুলিতে যে পরিমাণ মৃত্যুর খবর রিপোর্ট করা হচ্ছে তা অনেক ক্ষেত্রেই বাস্তবের থেকে ২০ গুণ পর্যন্ত কম বলে অভিযোগ।
এদিকে এর আগেই আমরা একাধিক সংবাদমাধ্যমের খবরে দেখতে পাই আহমেদাবাদ, সুরাত, রাজকোট, ভোদোদার, জামনগর, ভাওয়ানগর এবং গান্ধীনগরে ক্রমেই বাড়ছে করোনায় মৃত্যুর পরিমাণ। কিন্তু বর্তমানে সরকারি করোনা পরিসংখ্যান কিন্তু আবার উল্টোকথা বলছে। অন্যদিকে গ্রামীণ এলাকায় শ্মশান, কবরস্থান সহ করোনা মৃতদের দাহ কাজ যেখানে হচ্ছে সেখান থেকে কবর সংগ্রহ করেই মৃতদের আসল পরিসংখ্যান সামনে আনা হয়েছিল একাধিক সংবাদমাধ্যমে।
মৃতদের আসল খবর জানতে স্থানীয় প্রশাসন, পঞ্চায়েত গুলি থেকেও খোঁজ নেওয়া হয়। আর তাতেই দেখা এই বৈপরীত্য। রাজ্য মধ্য, উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের পাশাপাশি সৌরাষ্ট্র ও কচ্ছতেও এই ধরণের বৈপরীত্যের কথা সামনে আসে। এমবকী ২০২০ এবং ২০২১ সালে ৭০ দিনের কম সময়ে তিন হাজারেরও বেশি মৃত্যুর পার্থক্য ছিল বলে জানা যাচ্ছে। এমনকী সুরেন্দ্রনগরের মতো অনেক জেলাতেই আবার নতুন মৃত্যুর আপডেটই দেওয়া হচ্ছে না বর্তমান সরকারি হিসাবে। দেওয়া হচ্ছে একবছরের পুরনো পরিসংখ্যান।












Click it and Unblock the Notifications