ভারতেও হতে পারে তুরস্কের মতো ভূমিকম্প, দেশের সবথেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত কোন অঞ্চল

ভারতের প্রায় ৫৯ শতাংশ ভূমি ভূমিকম্পপ্রবণ। ৫৯ শতাংশ ভূমির মধ্যে পড়ছে আটটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বহু শহর।

তীব্র ভূমিকম্পে প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে তুরস্ক ও সিরিয়ার একাধিক শহর। এখন হাজার হাজার মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এই ভূমিকম্প। এমন প্রাণঘাতী ভূমিকম্প হতে পারে ভারতেও। ভারতেও তুরস্কের মতো এমন অঞ্চল রয়েছে, যা অতি ঝুঁকিপূর্ণ। সেই এলাকা চিহ্নিত করে সাবধান করে দিলেন বিশেষজ্ঞ আইআইটি প্রফেসর।

ভারতের বেশ কিছু অঞ্চল ভয়ঙ্কর ঝুঁকিপূর্ণ

ভারতের বেশ কিছু অঞ্চল ভয়ঙ্কর ঝুঁকিপূর্ণ

আইআইটি কানপুরের আর্থ সায়েন্স বিভাগের সিনিয়র বিজ্ঞানী ভারত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, ভারতের বেশ কিছু অঞ্চল ভয়ঙ্কর ঝুঁকিপূর্ণ। যে কোনও মুহূর্তে বড়সড় ভূমিকম্প অর্থাৎ তুরস্ক বা সিরিয়ার মতো পরিস্থিতি হতে পারে ভারতের ওইসব এলাকায়। তাই এখন থেকে সাবধান হওয়া জরুরি বলে তিনি পরামর্শ দিয়েছেন।

৭.৫ মাত্রার বেশি ভূমিকম্প হতে পারে

৭.৫ মাত্রার বেশি ভূমিকম্প হতে পারে

দেশে ভূমিকম্পের পুরনো ইতিহাস রয়েছে। তারপর পৃথিবীর অভ্যন্তরের পরিবর্তন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা চলছে। অধ্যাপক জাভেদ মালিক এই গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, ভারতে এমন কিছু অঞ্চল রয়েছে, যেখানে ৭.৫ মাত্রার বেশি ভূমিকম্প হতে পারে। আর এই ঘটনা যে কোনও দিন ঘটতে পারে।

ভারতে ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল হতে পারে...

ভারতে ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল হতে পারে...

আইআইটি কানপুরের অধ্যাপক বলেন, ভারতে ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল হয়ে উঠতে পারে হিমালয় বা আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ। সেজন্য সতর্ক থাকা প্রয়োজন। প্রতিটি স্তরে সতর্ক থাকা উচিত। চিনি দীর্ঘদিন ধরে কচ্ছ, আন্দামান ও উত্তরাখণ্ডের ভূমিকম্প বিধ্বস্ত এলাকায় পৃথিবীর পরিবর্তন নিয়ে গবেষণা করছেন।

ভূমিকম্পের পাঁচটি জোন, কোন জোনে কোন এলাকা

ভূমিকম্পের পাঁচটি জোন, কোন জোনে কোন এলাকা

দেশকে মোট পাঁচটি জোন তৈরি করা হয়েছে। সবথেকে বিপজ্জনক জোন ৫-এ রয়েছে কচ্ছ, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ এবং হিমালয় পার্বত্য এলাকা। জোন ৪-এ রয়েছে বাহরাইচ, লখিমপুর, পিলিভীত, গাজিয়াবাদ, রুরকি, নৈনিতাল-সহ তরাই অঞ্চল। জোন ৩-এ রয়েছে কানপুর, লখনউ, প্রয়াগরাজ, বারাণসী, সোনভদ্র ইত্যাদি।

ভূমিকম্পের কারণ ব্যাখ্যা গবেষক অধ্যাপকের

ভূমিকম্পের কারণ ব্যাখ্যা গবেষক অধ্যাপকের

আইআইটি কানপুরের অধ্যাপক জাভেদ মালিক ভূমিকম্পের কারণ ব্যাখ্যা করে জানিয়েছেন, টেকটোনিক প্লেটগুলি মাটির ভিতরে একে অপরের সঙ্গে সংঘর্ষ হলে ভূমিকম্প ঘটায়। সেই ঘর্ষণের শক্তি খুব বেশি হলে ভূমিকম্পের মাত্রাও শক্তিশালী হয়। তুরস্কে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.৮, ভারতে ২০০৪ সালের ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৯.১।

ভারতের প্রায় ৫৯ শতাংশ ভূমিকম্পপ্রবণ

ভারতের প্রায় ৫৯ শতাংশ ভূমিকম্পপ্রবণ

সরকারি রিপোর্টে কিছুদিন আগেই জানানো হয়েছিল, ভারতের প্রায় ৫৯ শতাংশ ভূমি ভূমিকম্পপ্রবণ। ৫৯ শতাংশ ভূমির মধ্যে পড়ছে আটটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বহু শহর। এই শহরগুলিকে জোন ৫-এ রাখা হয়েছে। এখানে সর্বেচ্চ তীব্রতার ভূমিকম্প হয়। সবথেকে কম মাত্রার ভূমিকম্প হয় জোন ২-এ।

কোন জোনে কত শতাংশ এলাকা

কোন জোনে কত শতাংশ এলাকা

রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতে জোন ৫-এ রয়েছে ১১ শতাংশ অঞ্চল। জোন ৪-এ ১৮ শতাংশ অঞ্চল, ৩০ শতাংশ রয়েছে জোন থ্রি-এ। বাকিগুলি পড়ে জোন ২-এ। ভারতের মধ্য হিমালয় অঞ্চল বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল। ১৯০৫ সালে, কাঙ্গারায় একটি বিশাল ভূমিকম্পে আঘাত হানে। সেই মাত্রার ভূমিকম্প হতে পারে হিমালয়ের পার্বত্য এলাকায়।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+