অজিত পাওয়ারকে সেচ দুর্নীতি মামলায় ক্লিনচিট দিতে রাজি নন এসিবি সঞ্জয় বার্ভে
অজিত পাওয়ারকে সেচ দুর্নীতি মামলায় ক্লিনচিট দিতে রাজি নন এসিবি সঞ্জয় বার্ভে
মহারাষ্ট্রের দুর্নীতি দমন ব্যুরো সোমবারই রাজ্যের উপ–মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের বিরুদ্ধে চলা ৭০ হাজার কোটি টাকার সেচ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার ন’টি তদন্ত বন্ধ করে দিয়েছে। দুর্নীতি দমন ব্যুরোর এক শীর্ষ আধিকারিক জানান, এগুলি নিয়মমাফিক তদন্ত ছিল। যা বেশ কিছু দরপত্র নিয়ম ছাড়াই পেশ হয়েছিল। এই ঘটনার সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জড়িত নন। তবে এসিবি ডিজিপি সঞ্জয় বার্ভে এখনই অজিত পাওয়ারকে ক্লিনচিট দিতে রাজি নন।

দুর্নীতি দমনের আধিকারিকেরা জানিয়েছেন, হাজার–কোটি টাকার সেচ দুর্নীতিতে ২৪টিরও বেশি এফআইআর দায়ের হয়েছিল। যদিও একটা অভিযোগেও অজিত পাওয়ারের নাম এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তৎকালীন এসিবি ডিজিপি সঞ্জয় বার্ভে ২০১৮ সালে হলফনামা পেশ করে জানিয়েছিলেন যে পাওয়ার সেচ প্রকল্পের চুক্তির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ঠিকাদারদের অগ্রিম টাকা দেওয়া হয় নিয়মের তোয়াক্কা না করে এবং প্রকল্পের ব্যয় অনিয়মিত বাড়ানোর ওপর অনুমোদন দেন অজিত পাওয়ার। কংগ্রেস–এনসিপি জমানায় অজিত পাওয়ার ছিলেন সেচমন্ত্রী৷ ১৯৯৯ ও ২০১৪ সালের মধ্যে কংগ্রেস–এনসিপির সময় সেচ দফতরের একাধিক বার দায়িত্ব পেয়েছেন অজিত পাওয়ার। শীর্ষ এক আধিকারিক জানান যে ২৪টি এফআইআর হয়েছে এবং আরও কিছু দরপত্রের তদন্ত চলছে। তিনি বলেন, 'ন’টি তদন্ত ইতিমধ্যেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ২৮ নভেম্বরের আগে বম্বে হাইকোর্টের নাগপুর বেঞ্চে আমাদের এই মামলার অগ্রগতির রিপোর্ট পেশ করতে হবে। এফআইআর যখন হয়েছে তখন তদন্ত চালিয়ে যেতে হবে।’
মহারাষ্ট্র সরকারের ক্লিনচিটের পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হন বিরোধীরা৷ শিবসেনা মুখপাত্র প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদির টুইট, 'একেই বলে ক্ষমতার খেলা৷ এবার বোঝা গেল, কেন মাঝরাতে হাত মিলিয়ে ছিলেন৷ নির্লজ্জ পাওয়ার৷’ কংগ্রেসের জাতীয় মুখপাত্র রণদীপ সূরযেওয়ালাও টুইট করে বলেন, 'গণতন্ত্রের হত্যার চুক্তি এখন মহারাষ্ট্রের সততা–দায়িত্বরও হত্যা করছে। খুব একটা অবাক হচ্ছি না, এটা যে হবে জানা কথাই ছিল।’ শনিবারই সকলকে চমকে দিয়ে অজিত পাওয়ার বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে রাজ্যের উপ–মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসেন।












Click it and Unblock the Notifications