বিজেপির আর আশা নেই! ত্রিপুরাবাসীকে দর বাড়িয়ে নেওয়ার পরামর্শ অভিষেকের
অভিষেক বলেন, বিজেপি বুঝতে পারছে তাদের জযের আশা ত্রিপুরায় ক্ষীণ হয়ে আসছে। তাই বিজেপি এখন বাড়ি বাড়ি গিয়ে টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা করছে।
ত্রিপুরায় ভোটের আর বাকি সাকুল্যে তিনদিন। তার আগে নির্বাচনী প্রচারের শেষ লগ্নে টাকা দিয়ে ভোট কেনার অভিযোগ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার বক্সনগরের জনসভা থেকে ত্রিপুরাবাসীকে তিনি দর বাড়িয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিলেন।
অভিষেক বলেন, বিজেপি বুঝতে পারছে তাদের জযের আশা ত্রিপুরায় ক্ষীণ হয়ে আসছে। তাই বিজেপি এখন বাড়ি বাড়ি গিয়ে টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা করছে। এই চেষ্টা চারা আরও বাড়াবে। এই অবস্থায় আফনারা দর বাড়িয়ে নিন। তারা যদি একটি ভোটের জন্য ৫০০ টাকা দিতে চায়, তবে বলুন আর বেশি টাকা লাগবে। কেন তিনি এ কথা বলছেন তার ব্যাখ্যাও দেন।

এভাবে দর বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি তিনি বলেন, কেউ বিজেপিকে ভোট দেবেন না। কেননা বিজেপির ডাবল ইঞ্জিন সরকার ত্রিপুরাকে ডুবিয়ে ছেড়েছে। এদিন ত্রিপুরায় পালাবদলের ডাক দিয়ে তিনি বলেন, প্রথমে বামফ্রন্ট তারপরে বিজেপিকে আপনারা দেখে নিয়েছেন, এবার তৃণমূলকে জেতান। তৃণমূলকে একটা সুযোগ দিন।
অভিষেকের দাবি, বিজেপি যত হারবে, ততই মূল্যবৃদ্ধির ঝুঁকি কমবে। ত্রিপুরায় বিজেপি জিতলে রান্নার তেলের দাম ২০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা হবে। তাই আপনারা ৫০০ টাকা দিয়ে ভোট কিনতে এলে ১০০০ টাকা চান। আর এক হাজার টাকা দিতে চাইলে দু-হাজার টাকা চান।
অভিষেকের কথায়, গত ৫ বছর ধরে ওরা ত্রিপুরাবাসীকে শুষে নিয়েছে, তাই এবার আপনাদের সুযোগ। আপনাদের টাকা আপনারা ফেরত নিয়ে নিন। কিন্তু ভোটটা দিন তৃণমূলকে। আপনাদের স্বপ্ন নিয়ে ৫ বছর ধরে ওরা ছিনিমিনি খেলেছে। এবার আপনারা ওদের পায়ের তলার মাটি কেড়ে নিন।
অভিষেক বলেন, তৃণমূল একমাত্র দল যাঁরা বুক চিতিয়ে লড়াই করে। বিজেপিকে হারাতে পারে একমাত্র তারাই। সেটা বাংলায় দেখিয়ে দিয়েছে তৃণমূল। অভিষেক বলেন, বাংলায় যা করেছি, ত্রিপুরায় ক্ষমতায় এলেও তা করে দেখাব। ত্রিপুরায় নির্বাচনী জনসভা থেকে চ্যালেঞ্জ নিলেন অভিষেক।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সিপিএম ২৫ বছরে যা না ক্ষতি করেছে, তার থেকে বহুগুণ ক্ষতি শেষ পাঁচ বছরে করেছে বিজেপি। তাই ত্রিপুরার মানুষ বিজেপি জমানার পরিবর্তন চাইছে। ৫ বছরেই ত্রিপুরার মানুষের জীবন নাস্তানাবুদ করে দিয়েছে বিজেপি। ত্রিপুরা মানুষ আর ডাবল ইঞ্জিনের ভাঁওতায় ভুলছে না। বিজেপির ডাবল ইঞ্জিন মানে ইডি আর সিবিআই। কেন্দ্র আর রাজ্য মিলে দুর্নীতি করবে। দুয়ারে গুন্ডা পাঠাবে। আমরা সরকারে এলে দুয়ারে সরকার পাঠাব। বাংলায় যা উন্নয়ন হয়েছে, তার ভাগও ত্রিপুরা পাবে।












Click it and Unblock the Notifications