শেষ বেলায় বাতিল অভিষেকের ত্রিপুরা সফর! সরকার অতিথিকে ভগবান মনে করে, মুখ খুললেন বিপ্লব
এযেন যত কাণ্ড ত্রিপুরাতে! লোকসভা ভোটের আগে ত্রিপুরা দখল এখন টার্গেট তৃণমূলের। আর সেই লক্ষ্যে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু শুরুতেই একের পর এক ধাক্কা। এবার পিছিয়ে গেল অভিষেক বন্দ্যোপাধায়ের ত্রিপুরা সফরও।
এযেন যত কাণ্ড ত্রিপুরাতে! লোকসভা ভোটের আগে ত্রিপুরা দখল এখন টার্গেট তৃণমূলের। আর সেই লক্ষ্যে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু শুরুতেই একের পর এক ধাক্কা। এবার পিছিয়ে গেল অভিষেক বন্দ্যোপাধায়ের ত্রিপুরা সফরও।

আগামিকাল শুক্রবার আগরতলাতে যাওয়ার কথা ছিল তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ডের। সেই মতো প্রস্তুতিও চলছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে বাতিল হয়ে গিয়েছে তাঁর সফর। অন্যদিকে তৃণমূলে সাংগঠনিক বৈঠকে পুলিশি হানা নিয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব।
তাঁর দাবি, পুলিশ প্রশাসন তাঁদের মতো কাজ করছে। সরকার এর মধ্যে নেই।
উল্লেখ্য, আজ বৃহস্পতিবার সাংগঠনিক বৈঠকে ত্রিপুরার একটি হোটেলে বসে তৃণমূল নেতারা। ব্রাত্য বসু, মলয় ঘটক, ডেরেক ও ব্রায়েন সহ একাধিক শীর্ষ নেতা উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন ত্রিপুরার তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। কিন্তু হঠাৎ করেই সেখানে হাজির হয়ে যায় ত্রিপুরা পুলিশের আধিকারিকরা ১০০ জন পুলিশ কর্মী গোটা এলাকা ঘিরে ধরে বলে অভিযোগ।
কীসের বৈঠক, কেন বৈঠক সমস্ত বিষয়ে জানতে চাওয়া হয় পুলিশের তরফে। এই ঘটনাতে ক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতৃত্ব। ব্রাত্যের কথায়, আমরা কি জঙ্গি? শুধু তাই নয়, শিক্ষামন্ত্রীর দাবি, 'জুলুমবাজির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে উঠেছে। এবার ত্রিপুরায় মানুষ কাজ চাইছে। ত্রিপুরার সরকার তৃণমূলকে ভয় পাচ্ছে বলেও মন্তব্য তাঁর। এই ঘটনাতে ক্ষুব্ধ তৃণমূল শীর্ষ নেতারা।
এই অবস্থাতে আগামিকাল অভিষেকের ত্রিপুরাতে পা রাখার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তা বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। জানা যাচ্ছে, করোনা সংক্রমণ নিয়ে সে রাজ্যে কড়া কড়ি করা হিয়েছে। দুপুর ২টোর পর থেকে কার্ফু জারি রয়েছে। শনি ও রবিবার বেশকিছু বিধিনিষেধ জারি থাকবে ত্রিপুরায়।
এই অবস্থায় অভিষেক আগরতলাতে পা রাখলে সমস্যা তৈরি হতে পারে। বিপ্লব দেব সরকার বাধা দিতে পারে। শুহদু তাই নয়, করোনা অবস্থায় একাধিক নিয়মকে সামনে রেখে অভিষেকের সফরে একগুচ্ছ বাধা দিতে পারে বলে মনে করছে তৃণমূল। আর তাই সবদিক ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হিয়েছে বলে তৃণমূল সূত্রে খবর।
অন্যদিকে বিপ্লব দেব আরও জানিয়েছে, আমরা ত্রিপুরার মানুষ অতিথিদের দেবতা হিসাবে মেনে চলে। সম্মান জানায়। শুধু মানুষ নয়, বাইরে থেকে যারা আসছেন তাঁদের ভগবান হিসাবেই দেখে ত্রিপুরা সরকারও। এখানে কেউ আসতেই পারেন। তবে, পুলিশ প্রশাসন তাঁদের কাজ করবে। তাতে সরকার হস্তক্ষেপ করবে না। তবে এই প্রসঙ্গে স্বাধীনতা দিবসের বিষয়টিকে সামনে তুলে আনেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।
বিপ্লব দেবের দাবি, ত্রিপুরার চারপাশে সীমান্ত এলাকা। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে পুলিশের সিদ্ধান্ত যেটা মনে হবে সেটাই করবে বলে দাবি বিপ্লব দেবের।












Click it and Unblock the Notifications