নির্বাচনী প্রচারে ফের ত্রিপুরা-মেঘালয়ে যাচ্ছেন অভিষেক, যাবেন মমতাও! সম্ভাবনা কোন রাজ্যে, রয়েছে উত্তরও
১৬ ফেব্রুয়ারি ত্রিপুরায় বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে প্রচারের সময় রয়েছে ৪৮ ঘন্টা। অন্যদিকে মেঘালয়ের জন্য বেশ কিছুদিন সময় রয়েছে হাতে। তারই মধ্যে দুই রাজ্যে জোরদার প্রচারের প্রস্তুতি তৃণমূলের। শেষ মুহূর্তে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ত্রিপুরায় সভা করার যেমন কথা রয়েছে, অন্যদিকে মেঘালয়ে গিয়ে কয়েকদিন ধরে তিনি নির্বাচনী প্রচার চালাতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। মেঘালয়ের ফের প্রচারে যেতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

মেঘালয়ে যাচ্ছেন অভিষেক
শেষ মুহূর্তের প্রচারে যোগ দিতে ত্রিপুরায় যাবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনটই খবর দলীয় সূত্রে। রবিবার বিকেলে দিল্লি। তারপর সেখান থেকে সোমবার অর্থাৎ ১৩ ফেব্রুয়ারি ত্রিপুরায়। সেই সময়েই তিনি মেঘালয়েও যেতে পারেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মেঘালয়ে থাকতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। সেখানে সাংগঠনিক বৈঠকের পাশাপাশি জনসভা এবং রোড শোও করতে পারেন তিনি।

ফের মেঘালয়ে যাবেন মমতা
আগেরবার উত্তরবঙ্গ থেকে মেঘালয়ে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে ফের একবার উত্তরবঙ্গ থেকে মেঘালয়ে যেতে চলেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেখানে নির্বাচনের মুখে সাংগঠনিক আলোচনার পাশাপাশি তৃণমূলের জনসভাতেও যোগ দেবেন তিনি।

কেন মেঘালয়ে জোর
ত্রিপুরায় ভোট ১৬ ফেব্রুয়ারি। তবে মেঘালয়ের তা ১১ দিন পরে, ২৭ ফেব্রুয়ারি। এই মুহূর্তে তৃণমূল সেখানে প্রধান বিরোধী দল। দল ভাঙিয়ে কংগ্রেসকে পিছনে ফেলে সেখানে এগিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল। অন্যদিকে বিজেপির সঙ্গে সরকার করেও কনরাড সাংমার ন্যাশনাল পিপিলস পার্টি বা এনপিপি একাই নির্বাচনে লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ৬০ টির মধ্যে ৫৮ টি আসনে তারা প্রার্থী দিয়েছে। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন, ইউনিফর্ম সিভিল কোড, সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন এবং বিজেপি নেতার গ্রেফতারি নিয়ে বিজেপির সঙ্গে মত পার্থক্য রয়েছে এনপিপির। বিজেপি এই লড়াইয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ বললেও, ভোট কাটাকাটির লড়াইয়ে তৃণমূল সেখানে ক্ষমতা দখলের সম্ভাবনা দেখছে, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।
অন্যদিকে তৃণমূল ত্রিপুরায় ৬০ আসনের মধ্যে ২৮ টিতে প্রার্থী দিয়েছে। যেখানে অর্থেক আসনেই প্রার্থী নেই সেখানে অর্থাৎ ত্রিপুরায় তাদের এই লড়াই নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে বাম-কংগ্রেস। বিজেপি তো সেখানে তৃণমূলের নামই মুখে আনছে না। বিশ্লেষকদের একাংশ বলছেন, এবার আর ত্রিপুরা নয়, মেঘালয়ই তৃণমূলের পাখির চোখ।

মেঘালয়ে প্রচারে গিয়েছিলেন
আগেও মেঘালয়ে প্রচারে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটের দিন ঘোষণার দিনই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রচার সারেন সেখানে। জোট সরকারকে নিশানা করে রাজ্যে ঘাসফুল ফোটানোর ডাক দিয়েছিলেন তিনি। অভিষেক বলেছিলেন, মেঘালয় চালাবেন ভূমিপুত্ররা। তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেছিলেন মেঘালয়ে সোনালী দিন ফিরে আনবেন।












Click it and Unblock the Notifications