এবিজি শিপইয়ার্ড: কীভাবে দেশের সবচেয়ে বড় ব্যাঙ্ক জালিয়াতি প্রকাশ্যে এল?
এবিজি শিপইয়ার্ড: কীভাবে দেশের সবচেয়ে বড় ব্যাঙ্ক জালিয়াতি প্রকাশ্যে এল?
এবার দেশের অন্যতম সংস্থা এবিজি শিপ ইয়ার্ডের বিরুদ্ধে আর্থিক কারচুপির অভিযোগ উঠল। তদন্তে নেমে পড়লেন এনফোর্সমেন্ট ডিপার্টমেন্টের আধিকারিকরা। এই মুহূর্তে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, এবিজি শিপইয়ার্ডের তিন প্রাক্তন প্রধান ঋষি আগরওয়াল, সান্থানাম মুথুস্বামী, অশ্বিনী কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা মোট ২৮ ড়ি ব্যাঙ্ককে ফাঁকি দিয়েছেন এবং ২২,৮৪২ কোটি টাকার কারচুপি করেছেন।

সিবিআইয়ের অভিযোগ, এবিজি শিপইয়ার্ডের প্রোমোটাররা ওই লোনগুলিকে ৯৮টি সংস্থায় ভাগ করে দিয়েছেন। ইডি ইতিমিধ্যেই তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে৷ সাধারণ মানুষের অর্থ এভাবে লোনের মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া এবং কারচুপির যে অভিযোগ, তা নিয়ে শীঘ্রই ওই তিন ডিরেক্টরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। আর কিছুদিনের মধ্যেই ওই তিনজনকে ডেকে পাঠাবে তদন্তকারী সংস্থাটি।
সাধারণত জাহাজ নির্মান এবং জাহাজ মেরামতের কাজ করে এবিজি শিপইয়ার্ড। এবিজি গ্রুপের প্রধান সংস্থা এটি। গুজরাটের দেহেজ এবং সুরাটে এই শিপইয়ার্ড অবস্থিত। সিবিআইয়ের অভিযোগ, এই সংস্থাটি দেশের সবচেয়ে বড় লোন কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত। এই সংস্থার অভিজ্ঞ ও উচ্চপদস্থ কর্মচারীরা যাতে দেশ ছাড়তে না পারেন, তার জন্য নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে।
স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার অভিযোগ অনুযায়ী, এবিজি শিপইয়ার্ডের কাছ থেকে এখনও ২৯২৫ কোটি টাকা পায় তারা। আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কের ৭০৮৯ কোটি টাকা, আইডিবিআই ব্যাঙ্কের ৩৬৩৪ কোটি টাকা, ব্যাঙ্ক অফ বরোদার ১৬১৪ কোটি টাকা, পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের ১২৪৪ টাকা, আইওবি ব্যাঙ্কের ১২২৮ কোটি টাকা ফেরত দিতে হবে সংস্থাটিকে।
একটি বিবৃতিতে সিবিআই জানিয়েছে, ২০১৯ সালের এপ্রিল থেকে ২০২০ সালের মার্চ মাস অবধি বিভিন্ন ব্যাঙ্ক এবিজি শিপইয়ার্ডকে 'প্রতারক' বলে চিহ্নিত করেছে৷ তাদের বক্তব্য, ' এবিজি শিপইয়ার্ড লোন নিয়ে তাদের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত অন্যান্য সংস্থার একাউন্টে সেই টাকা পাঠায়। প্রাথমিকভাবে জোচ্চুরি এখানেই। ২০০৫-২০১২ অবধি এইভাবেই বিভিন্ন সংস্থার জন্য সম্পদ কিনেছে তারা।'












Click it and Unblock the Notifications