বিজেপিকে সমর্থন? কেজরিওয়াল বলছেন না, প্রশান্ত ভূষণ বলছেন হতে পারে

এখনই দিল্লির ক্ষমতাদখল নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। পরিস্থিতি যা তাতে কোনও দলই সংখ্যা গরিষ্ঠতা পায়নি। ফলে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির চিন্তাভাবনাও হচ্ছে। তবে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে কেজরিওয়ালের দল আপ যে একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে চলেছে তা বলাই বাহুল্য। বিজেপি আসন জেতার দৌড়ে এগিয়ে থাকলেও সরকার গড়ার জন্য এখনও ৫টি আসন দরকার তাদের। সেক্ষেত্রে আপ-এর সমর্থন পেলে সরকার গড়তে পারবে বিজেপি। কিন্তু বিজেপির সে আশায় কালই জল ঢেলে দিয়েছিলেন কেজরিওয়াল। তবে আজ প্রশান্ত ভূষণের মন্তব্য সমীকরণ পাল্টানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে কী? যদিও এটা তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত কথা, দল এখনও এ বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।
বিজেপির সঙ্গে হাত মেলালে কমবে আপ-এ জনসমর্থন, জানাচ্ছে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা
বয়স মাত্র একবছর, তার মধ্যেই দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে যা ভেল্কি দেখিয়েছে কেজরিয়ালের দল তাতে রীতিমতো হতচকিত রাজনৈতিক মহল। সরকার গড়ার ক্ষেত্রে প্রবীন দলকে রীতিমতো নির্ভর করতে হচ্ছে এই নবজাতকের কাছে। কিন্তু এর মধ্যেই দলের অভ্যন্তরীন মতবিরোধ জনসমক্ষে চলে এল। যদিও আপ-এর প্রধান কেজরিওয়াল নিজেও অবশ্য বলেছেন, তাঁর দলে ব্যক্তিগত মতামত দেওয়ার স্বাধীনতা প্রত্যেকেরই রয়েছে। তবে প্রশান্ত ভূষণের বিজেপি সমর্থনের কথা কী শেষ পর্যন্ত দলের কথা হবে?
কিন্তু তা যদি সত্যি হয় তাহলে আম আদমি পার্টির জনপ্রিয়তা ও জনসর্থন দুটোই ধাক্কা খাবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। কারণ দুর্নীতির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে এতদিন দীর্ধদিনের পোড় খাওয়া দুই প্রবীন দল বিজেপি ও কংগ্রসের থেকে দূরত্ব বজায় করেই চলছিল আপ। এমনকী দিল্লি ভোটে আপের সাফল্যের কারণ তাদের স্বাতন্ত্রতা। কিন্তু বিজেপির সঙ্গে হাত মেলালে মানুষের ধারণা এই দলের তরফে পাল্টে যাবে। হতে পারে লোকসভা ভোটে তার প্রভাব ব্যাপকভাবে পড়তে পারে। এখনই এই ঝুঁকিবহুল রাস্তা আপ নেয় কি না এখন তাই দেখার।












Click it and Unblock the Notifications