দিদি মমতার দুঃখের দিনে ভাই কেজরির ঠোঁটে চওড়া হাসি, আপ পৌঁছে গেল অন্য উচ্চতায়
দুজনেই কেন্দ্রের শাসক বিরোধী রাজনীতির অন্যতম মুখ। দুজনকেই দেশের প্রধানমন্ত্রী পদে দেখার আশায় বুঁদ দুই দলের সমর্থকেরা। দিদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভাইয়ের মতো ভক্তি করেন ভাই অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তবে এদিন দিদির তৃণমূল কংগ্রেস জাতীয় দলের তকমা হারালে, সেই তকমা পেয়ে গেল কেজরির দল আম আদমি পার্টি।
তৃণমূল কংগ্রেস আর সর্বভারতীয় দল নয়। সেই তকমা এদিন কার্যত কেড়ে নিল কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত। বদলে সর্বভারতীয় দলের তকমা জুটে গেল অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টির কপালে। যরা পরই দলের সদস্য-সমর্থকদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দলের সুপ্রিমো তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

দিল্লি, গোয়া, পাঞ্জাব ও গুজরাতে আম আদমি পার্টির যে ভোট পারফরম্যান্স, তার ভিত্তিতেই আপকে সর্বভারতীয় দলের তকমা দেওয়া হয়েছে বলে নির্বাচন কমিশনের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে। এই ঘটনাকেই কল্পনাতীত, অবিশ্বাস্য বলে বর্ণনা করেছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। একইসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, দায়িত্ব আরও বেড়ে গেল।
মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থন ছাড়া এই সম্মান সম্ভব ছিল না। ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানিয়ে কেজরিওয়ালের সরকারে মন্ত্রী সৌরভ ভরদ্বাজ বলেছেন, এটা আমাদের জন্য অনেক বড় ব্যাপার। মানুষ আমাদের সঙ্গে রয়েছে। ঈশ্বর আরও শক্তি দিক যাতে এগিয়ে যেতে পারেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি দিল্লি ও পাঞ্জাবে ক্ষমতায় রয়েছে। ২০১২ সালের ২৬ নভেম্বর এই দল প্রতিষ্ঠা পায়। দিল্লিতে সরকার গঠনের পর গত বছরে পাঞ্জাবে প্রথমবার সরকার প্রতিষ্ঠা করে আম আদমি পার্টি। এছাড়া গুজরাতেও গতবছরের নির্বাচনে লড়ে ৫টি আসন পায় আপ।

প্রসঙ্গত, সোমবার একদিকে যখন আম আদমি পার্টিকে সর্বভারতীয় দলের তকমা দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন, তেমনই পাশাপাশি এনসিপি (ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি), সিপিআই ও তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় দলের তকমাও কেড়ে নেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও লোক জনশক্তি পার্টি (রাম বিলাস)-কে নাগাল্যান্ডে, তিপ্রা মোথা দলকে ত্রিপুরায় ও ভয়েস অফ পিপল পার্টিকে মেঘালয়ে রাজ্য দলের তকমা দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে অন্ধ্রপ্রদেশে ভারত রাষ্ট্র সমিতি, উত্তরপ্রদেশে রাষ্ট্রীয় লোক দল ও পশ্চিমবঙ্গে আরএসপি-র রাজ্য দলের তকমাও কেড়ে নেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications