আধার প্রয়োগে উচ্চশিক্ষায় 'ভুয়ো' শিক্ষকের হদিশ, সংখ্যাটা জানলে চমকে যাবেন
উচ্চশিক্ষায় সারা দেশে কমপক্ষে ৮০ হাজার 'ভুয়ো' শিক্ষকের হদিশ। সর্বত্র আধার যুক্ত করার পর এমনই হদিশ পাওয়া গিয়েছে। জানিয়েছেন মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর।
উচ্চশিক্ষায় সারা দেশে কমপক্ষে ৮০ হাজার 'ভুয়ো' শিক্ষকের হদিশ। সর্বত্র আধার যুক্ত করার পর এমনই হদিশ পাওয়া গিয়েছে। জানিয়েছেন মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানা গিয়েছে।

সর্বত্র আধারের ব্যবহার নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রতিবাদ হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সর্বোচ্চ আদালতে মামলাও চলছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক যে তথ্য দিচ্ছে তা চকমে যাওয়ার মতো। ২০১৬-১৭ সালে উচ্চশিক্ষায় সর্বভারতীয় ভিত্তিতে একটি সার্ভে করা হয়েছিল। যার পোশাকি নাম অল ইন্ডিয়া সার্ভে অন হায়ার এডুকেশন। যাতে দেখা যাচ্ছে ৮০ হাজারের বেশি এমন শিক্ষক রয়েছেন, যাঁরা দেশের তিনটি বা তার থেকে বেশি সংখ্যাক শিক্ষা কেন্দ্রের ফ্যাকাল্টি মেম্বার।
আধার সংযুক্তিকরণের পর মানব সম্পদ উন্নয়নমন্ত্রক বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত কমপক্ষে ৮০ হাজার ভুয়ো শিক্ষককে চিহ্নিত করেছে। এখনও পর্যন্ত ৮৫ শতাংশ শিক্ষক তাঁদের আধার নম্বর দিয়েছেন। বাকিরা আধার নম্বর দিলে এই সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই মনে করছে মন্ত্রক।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর জানিয়েছেন, 'ভুয়ো' শিক্ষকরা প্রক্সি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একাধিক জায়গায় পুরো সময়ের জন্য শিক্ষকতা করছেন। আধার সংযুক্তিকরণ প্রক্রিয়া চালুর পর এই ধরনের প্রায় ৮০ হাজার শিক্ষককে চিহ্নিত করা গিয়েছে।
মন্ত্রী দাবি, এই ধরনের একজন শিক্ষকও কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে জড়িত নন। অভিযুক্ত শিক্ষকরা বিভিন্ন রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।
মানব সম্পদ উন্নয়নমন্ত্রক দেশের সবকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মী এবং ছাত্রদের আধার নম্বর যুক্ত করার নির্দেশিকা জারি করেছে, যাতে এইধরনের ডুপ্লিকেশন না থাকে।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবি, আধার নম্বর দেওয়া অনেকটা মোবাইল নম্বর এবং ইমেল আইডি দেওয়ার মতো। যা সংরক্ষিতই থাকে।
সরকারি রিপোর্টে এও দেখা যাচ্ছে যে, ৫ বছর আগে যেখানে গ্রস এমপ্লয়মেন্ট রেশিও ছিল ২১.৫ শতাংশ। এখন সেটি ২৫.৫ শতাংশ। যদিও এই ৫ বছরে মুসলিম-সহ অন্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের গ্রস এমপ্লয়মেন্ট রেশিও কমে গিয়েছে। ২০১৬-১৭ সালে গ্রস এমপ্লয়মেন্ট রেশিও যেখানে ছিল ৪.১৫ শতাংশ, সেখানে ২০১২-১৩ সালে তা ছিল ৪.৯০ শতাংশ।












Click it and Unblock the Notifications