শিল্প শ্রমিকদের খুচরো মূদ্রাস্ফীতিতে সামান্য পারাপতন, দামের এই দহন জ্বালা থেকে শীঘ্রই মুক্তি?
শিল্প শ্রমিকদের খুচরো মূদ্রাস্ফীতিতে সামান্য পারাপতন, দামের এই দহন জ্বালা থেকে শীঘ্রই মুক্তি?
একদিকে যেমন পেট্রোপণ্যের উর্ধ্বমুখী দামে নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড় আম-আদমির, তেমনই বেড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম। এদিকে চলতি বছরের শুরু থেকেই গোটা দেশেই খুচরো মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল আকাশছোঁয়া। আর তাতেই বেড়েছে উদ্বেগ। তবে বর্তমান পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে জুলাই মাসে শিল্প শ্রমিকদের খুচরো মূদ্রাস্ফীতি সামান্য হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে এই হার দাঁড়িয়েছে ৫.২৭ শতাংশে।

ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা প্রধানত কিছু খাদ্য সামগ্রীর দাম কম হওয়ার কারণেঅ এই সামন্য পারাপতন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সম্প্রতি শ্রম মন্ত্রকের তরফে এই বিষয়ে একটি বিবৃতিও জারি করা হয়েছে। ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জুলাইয়ের মুদ্রাস্ফীতি জুনের তুলনায় বেশ খানিকটা কমেছে। জুলাইয়ে এই হার ছিল ৫.৫৭ শতাংশ। অন্যদিকে আগের বছর একই সময়ের তুলনায় বর্তমানে খুচরো মুদ্রাস্ফীতির হারেও অনেকটাই পারাপতন দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। আগের বছর জুলাইয়ে এঅ হার ছিল ৫.৩৩ শতাংশ।
এদিকে বর্তমানে খাদ্য মূদ্রাস্ফীতি ৪.২১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা জুনে ছিল ৫.৬১ শতাংশ। অন্যদিকে গত বছরের জুলাইতে এই হার ছিল ৬.৩৮ শতাংশ। এদিকে ২০২১ সালের জুলাই মাসে সর্বভারতীয় CPI-IW ইনডেক্স (ভোক্তা মূল্য সূচক-শিল্প শ্রমিক) ১.১ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ১২২.৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ২০২১ সালের জুন মাসে এটি ছিল ১২১.৭ পয়েন্ট। এদিকে গত কয়ের মাস ধরেই খাদ্যমূল্য, জ্বালানির দাম বৃদ্ধির জেরে সাধারণ মধ্যবিত্তের পকেটে টান পড়েছে। আর সেই পরিসংখ্যানই দেখা গিয়েছে খুচরো মুদ্রাস্ফীতির হারে। তবে আগামী কয়েকমাসে পরিস্থিতির ধীরে ধীরে উন্নতি হতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
এমনকী এই পরিবর্তন যাত্রা ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে বলে দাবি করছেন অনেকে। আর তারই প্রতিফল দেখা গিয়েছে খুচরো মুদ্রাস্ফীতির হারে। এদিকে ডাল ও ভোজ্য তেলের দাম বৃদ্ধি অব্যাহত থেকেছে। এছাড়া পেট্রোল, ডিজেলের দামে খানিক পারাপত দেখা গেলেও এখনও ১৯ রাজ্যেই ছুটছে আগুন। পেরিয়েছি সেঞ্চুরির কোটাও। দামের এই দহন জ্বালা থেকে কমে মুক্তি পাবে আম-আদমি সেই উত্তর নেই কারও কাছেই।












Click it and Unblock the Notifications