Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

জনসভায় সপার জেলা সভাপতিকে চড় মারতে গেলেন সম্পাদক, হেসে খুন অখিলেশ

জনসভায় সপার জেলা সভাপতিকে চড় মারতে গেলেন সম্পাদক, হেসে খুন অখিলেশ

দলের অন্তৰ্কলহ। সেখান থেকে জনসমক্ষে মারামারি। জনসভায় উড়ে আসা জুতোয় চমকে যাওয়া কিংবা কোনও জননেতাকে মুখে কালি মাখিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা রাজনীতিতে বহুবার ঘটেছে। এমনই এক ঘটনার সাক্ষী থাকল উত্তরপ্রদেশের অখিলেশ যাদবের দল সমাজবাদী পার্টি। তাও দল প্রধানের সামনেই ঘটল ঘটনা।

জনসভায় সপার জেলা সভাপতিকে চড় মারতে গেলেন সম্পাদক, হেসে খুন অখিলেশ

তবে এটি একটু অন্যরকম এই ঘটনা। উত্তরপ্রদেশের বাহ বিধানসভা আসনে পার্টির জনসভায় দলের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক রামজিলাল সুমনকে দেখা যায় জেলা সভাপতি জিতেন্দ্র ভার্মাকে চড় মারতে। তবে না , হাত উঁচিয়েই তিনি থেমে যান। জিতেন্দ্র ভার্মা তখন অখিলেশ যাদবের সঙ্গে কথাবার্তায় ব্যস্ত ছিলেন। আচমকা ঘটনায় তিনি হকচকিয়ে যান। তিনি সাময়িকভাবে ভয় পেয়ে যান। তবে বিষয়টা পুরোটাই মজা করে ছিল বলে জানা গিয়েছে। অখিলেশ যাদব পুরো বিষয়টিকে মজার ছলেই নেন এবং তিনি নিজেও হাসতে শুরু করেন।

রবিবার ঘটনাটি ঘটে যখন রামজিলাল সুমন সমাবেশে ভাষণ দিচ্ছিলেন এবং ভার্মাকে মঞ্চে অখিলেশ যাদবের সাথে কথা বলতে দেখা যায়। হঠাৎ, রামজিলাল সুমন তার বক্তৃতা মাঝপথে থামিয়ে দিয়ে ভার্মার কাছে গিয়ে তাকে চড় মারার ইঙ্গিত করেন। জানা গিয়েছে, রামজিলাল সুমনের বক্তৃতার সময়, ভার্মা এবং যাদব উভয়কেই নিজেদের মধ্যে কথা বলতে দেখা যায়। এতেই পার্টির সাধারণ সম্পাদক বিরক্ত হন। তবে পুরো বিষয়টি একটি হালকা ভাবেই মিটে যায় এবং মঞ্চে উপস্থিত সবাইকে হাসতে দেখা যায়। জনসভাটি অখিলেশ যাদবের বক্তৃতার মাধ্যমে শেষ হয়।, যিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে , যদি তার দলকে ভোট দেওয়া হয় তাহলে তিনি বাহকে একটি জেলায় পরিণত করবেন।

চলতি বছরে ভারতের পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। করোনাকালীন আবহে বিধানসভা ভোট হতে চলেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, মনিপুর, গোয়া এবং পাঞ্জাব রাজ্যে।উত্তরপ্রদেশের নির্বাচন সাত দফায় ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ মার্চের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। উত্তরপ্রদেশে ভোট হবে ১০, ১৪, ২০, ২৩, ২৭ ফেব্রুয়ারি এবং ৩ ও ৭ মার্চ।উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের একটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা রয়েছে যা একটি বিধান পরিষদ, একটি উচ্চকক্ষ এবং বিধানসভা, নিম্নকক্ষ। এটি ভারতের বৃহত্তম আইনসভা। উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা ৪০৩ জন নির্বাচিত সদস্য এবং একজন মনোনীত অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান সদস্য নিয়ে গঠিত। উত্তরপ্রদেশের আইন পরিষদে ১০০ জন সদস্য রয়েছে। আগে ভেঙে না গেলে বিধানসভার মেয়াদ পাঁচ বছর।

রাজনৈতিক দলগুলো একই রাজনৈতিক চিন্তাধারার মানুষকে নিয়ে আসতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মূলত, একটি রাজনৈতিক দল জনগণের একটি দল। এই লোকেরা সরকারে ক্ষমতায় থাকার জন্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে একত্রিত হয়। রাজনৈতিক দলের প্রধান ভূমিকা রাজনৈতিক এজেন্ডা ও নীতি ঠিক করা। জেনে কোন দলগুলি কীভাবে লড়বে উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনে। ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ) ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি), আপনা দল (সোনেলাল) এবং নিশাদ পার্টির মধ্যে একটি জোট নিশ্চিত করেছে। সমাজবাদী পার্টি এবং জোট: সমাজবাদী পার্টি, প্রগতিশীল সমাজবাদী পার্টি (লোহিয়া), মহান দল, জনবাদী পার্টি (সমাজবাদী), আপনা দল (কামেরবাদী), রাষ্ট্রীয় লোক দল, সুহেলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টি, এবং জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টি। বহুজন সমাজ পার্টি (বিএসপি) নিজেই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
ইউনাইটেড প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স: ইউপিএ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী দলটি হল ৪০৩ টি আসনের জন্য আইএনসি।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+