UP News: শত্রুতা মেটাতে গো-হত্যার অভিযোগ, বজরং দলের সঙ্গে চক্রান্ত প্রতিবেশী যুবকের
উত্তর প্রদেশে গ্রেফতার বজরং দল নেতা। বুধবার চারজনকে গ্রেফতার করেছে উত্তর প্রদেশ পুলিশ। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তাঁরা এক মুসলিম যুবকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসিয়েেছ। গোহত্যার মিথ্যে অভিযোগে সেই মুসলিম যুবককে গ্রেফতার করিয়েছিল।
তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে মোরাদাবাদ জেলার বাসিন্দা সাহাবুদ্দিন নামে এক যুবক বজরং দলের নেতাদের সাহায্য িনয়ে মেহমুদ নামে প্রতিবেশী যুবকের বিরুদ্ধে গো হত্যার বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ করা হয়েছিল। গত ১৬ জানুয়ারি তাঁরা মেেহমুদের বিরুদ্ধে গো হত্যার মিথ্যে মামলা দায়ের করে।
{image-arrest1-1706872034.jpg bengali.oneindia.com
পুলিশ জানিয়েছে গত ১৬ জানুয়ারি কানওয়ার যাত্রীদের যাত্রাপথে একটি গরুর মাথা পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছিল। সেই পথ দিয়ে শ্রাবণ মাসে কানোয়ার যাত্রীরা হরিদ্বারে গঙ্গার জল আনতে যান। তারপরে সেই ঘটনায় অপরিচিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে পুলিশ। তারপরে আবার ২৮ জানুয়ারি আবার একটি গরুর মাথা কয়েক কিলোমিটার দূরে সেই একই পথে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ খোঁজ খবর করতে শুরু করে। মেহমুদকে আটক করে জেরা শুরু করে পুলিশ। জেরায় সে জানায় গ্রামে কয়েকজনের সঙ্গে তাঁর বিবাদ রয়েছে। তারপরেই বেরিয়ে আসে শাহাবুদ্দিন এবং জামশেদের নাম। তারপরেই জানা যায় সাহাবুদ্দিন বজরং দল নেতা মনু বিষ্ণোই, রাজীব চৌধুরী এবং রমন চৌধুরী নামে তিন জনের সাহায্য নিয়ে চক্রান্ত করে এই ঘটনা ঘটিয়েছে।
তাদের আটক করে জেরা করতেই পুলিশের কাছে সব সত্যিটা প্রকাশ্যে এসে পড়ে। তাঁদের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এর আগেও মনু বৈষ্ণো একাধিক অপরাধমূলক কাজে যুক্ত ছিল। একাধিকবার জেলেও গিয়েছে। তারপরে জেল থেকে ছাড়া পেয়েই একের পর এক অনৈতিক কাজ করে চলেছে সে। পুলিশ জানিয়েছে গত ১৬ জানুয়ারি কানওয়ার যাত্রীদের যাত্রাপথে একটি গরুর মাথা পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছিল। সেই পথ দিয়ে শ্রাবণ মাসে কানোয়ার যাত্রীরা হরিদ্বারে গঙ্গার জল আনতে যান। তারপরে সেই ঘটনায় অপরিচিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে পুলিশ। তারপরে আবার ২৮ জানুয়ারি আবার একটি গরুর মাথা কয়েক কিলোমিটার দূরে সেই একই পথে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ খোঁজ খবর করতে শুরু করে। মেহমুদকে আটক করে জেরা শুরু করে পুলিশ। জেরায় সে জানায় গ্রামে কয়েকজনের সঙ্গে তাঁর বিবাদ রয়েছে। তারপরেই বেরিয়ে আসে শাহাবুদ্দিন এবং জামশেদের নাম। তারপরেই জানা যায় সাহাবুদ্দিন বজরং দল নেতা মনু বিষ্ণোই, রাজীব চৌধুরী এবং রমন চৌধুরী নামে তিন জনের সাহায্য নিয়ে চক্রান্ত করে এই ঘটনা ঘটিয়েছে।
তাদের আটক করে জেরা করতেই পুলিশের কাছে সব সত্যিটা প্রকাশ্যে এসে পড়ে। তাঁদের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এর আগেও মনু বৈষ্ণো একাধিক অপরাধমূলক কাজে যুক্ত ছিল। একাধিকবার জেলেও গিয়েছে। তারপরে জেল থেকে ছাড়া পেয়েই একের পর এক অনৈতিক কাজ করে চলেছে সে।












Click it and Unblock the Notifications