২৮ দিন সমুদ্রে ভেসে মৃত্যুঞ্জয়ী আন্দামানের ‘যুবক’, এক অসম লড়াইয়ের রোমহর্ষক কাহিনি
২৮ দিন ধরে সমুদ্রে ভেসে মৃত্যুকে জয় করে বাড়ি ফিরলেন আন্দামানের যুবক অমৃত কুজুর। তিনি নিজেও ভাবতে পারেননি, আবার বেঁচে ফিরবেন।
২৮ দিন ধরে সমুদ্রে ভেসে মৃত্যুকে জয় করে বাড়ি ফিরলেন আন্দামানের যুবক অমৃত কুজুর। তিনি নিজেও ভাবতে পারেননি, আবার বেঁচে ফিরবেন। কিন্তু শুধু অদম্য মনের জোরে তিনি আবার বেঁচে্ ফিরলেন। তবু আফশোস একটা রয়েই গেল, বন্ধুকে বাঁচাতে পারলেন না। মাঝ সমুদ্রে কোথায় হারিয়ে গেল সে।

এক-আধদিন নয়, ২৮ দিন সমুদ্রে ভেসে চলেছেন। কুল-কিনারা নেই। যতদূর চোখ যায় জল আর জল। কিন্তু চেষ্টা ছাড়েননি অমৃত। মনের জোর হারিয়ে ফেলেননি। সেই জেরেই তিনি জয় করে নিলেন মৃত্যুকে। সাক্ষাৎ মৃত্যুকে দেখেছেন খুব কাছ থেকে। খাবার নেই, জল নেই। তেষ্টা মেটাতে সহায় শুধু বৃষ্টি। তবু তিনি মৃত্যুঞ্জয়ী হয়ে উঠলেন।
আন্দামানের শহিদ দ্বীপের বাসিন্দা অমৃত বন্ধু দিব্যরঞ্জনকে নিয়ে নৌকা ভাসিয়েছিলেন সমুদ্রবক্ষে। মাঝ সমুদ্রে তাঁদের নৌকা ভয়ঙ্কর ঝড়ের মুখে পড়ে। পাল ছিঁড়ে যায় নৌকার। দিকশূন্যভাবে ভাসতে থাকে সেই নৌকা। নৌকার সমস্ত জিনিসপত্র ভেসে যায়। শুধু ফাঁকা নৌকা নিয়ে ভাসতে থাকেন অমৃত। চোখের সামনে ভেসে যায় দিব্যরঞ্জন।
শেষমেশ খিরিশাহী গ্রামের উপকূলে এসে ঠেকে অমৃতের নৌকা। গ্রামবাসীরা তাঁকে উদ্ধার করে। ওড়িশা উপকূল থেকে ১৩০০ কিমি দূরে তিনি নৌকা ভাসিয়েছিলেন অমৃত। ২৮ সেপ্টেম্বর যাত্রা শুরু করেছিলেন তিনি। তারপরই মাঝ সমুদ্রে তাঁর নৌকা ঝড়ে পড়ে। উদ্দেশ্যহীনভাবে ভাসতে ভাসতে তিনি ওঠেন ওড়িশার উপকূলে। রক্ষা পান তিনি। ভেসে যান দিব্যরঞ্জন।












Click it and Unblock the Notifications