জাদু দেখাতে গিয়ে জীবন্ত মুরগি গিলে নিলেন ব্যক্তি! তারপর যা হল তা শিউরে ওঠার মত...
ইন্দ্রজালের রহস্য ঘিরে থাকে মানুষের মস্তিষ্কে। আর সেই রহস্যের টানে যুগের পর যুগ ধরে মানুষ ছুটে যান জাদুর খেলা দেখতে। একদিকে যেমন রোমাঞ্চকর অন্যদিকে তেমনি রহস্য ভরা এই জাদু। কিন্তু বিজ্ঞান ছাড়া জাদু সম্ভব নয়, একথা একেবারেই সত্যি।
কারণ জাদুর খেলায় আমরা যা দেখি সবই হলো বিজ্ঞান ভিত্তিক এবং নিমেষে চোখকে ফাঁকি দেওয়ার কৌশল মাত্র। তবে মাঝেমধ্যেই এই জাদুর খেলার মধ্যে ঢুকে পড়ে নানা রকমের তন্ত্র-মন্ত্র। আর সেই সব তান্ত্রিক কার্যকলাপ অনেক সময় বিপদ ডেকে আনে। আর যার উদাহরণ আবার মিলল আমাদের দেশে।

ছত্তিশগড়ের অম্বিকাপুরের ছিন্দকালো গ্রামের বাসিন্দা বছর ৩৫ এর আনন্দ যাদব। স্নান সেরে ঘরে ফিরে আচমকাই অসুস্থ বোধ করতে থাকেন তিনি। এরপর তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক ব্যক্তিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। কিন্তু এরপর আসল ঘটনা ঘটে ময়নাতদন্তে।
আনন্দজাতকের গলার ভিতর একটি থলে আবিষ্কার হয়। অটোপ্সির সময় সেই অংশটি কাটার পর অত্যন্ত হতবাক হয়ে যান ময়নাতদন্তকারীরা কারণ মৃত ব্যক্তির গলা থেকে আবিষ্কার হয় একটি আস্ত মুরগির ছানা! যা রীতিমতো জ্যান্ত ছিল।
এ বিষয়ে চিকিৎসক সন্তু বাগ জানিয়েছেন, মুরগির ছানাটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২০ সেন্টিমিটার। তিনি নিজের কর্মজীবনে প্রায় ১৫ হাজারটিরও বেশি ময়না তদন্ত করেছেন। কিন্তু এমন অদ্ভুতুড়ে ঘটনা এর আগে তিনি কখনও চোখে দেখেননি বলে বর্ণনা করেছেন।
উল্লেখ্য, আনন্দের গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, বেশ কিছুদিন ধরে নানা রকমের তন্ত্র-মন্ত্র জাদুর সঙ্গে জড়িয়েছিলেন মৃত ব্যক্তি। আসলে সন্তান লাভের আশায় তিনি কোনও তান্ত্রিকের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন বলে মনে করছেন পরিজনেরা। তবে এই প্রথম নয়, সম্প্রতি আহমেদাবাদে অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর ঘটনা এসেছে সামনে। যেখানে এই তন্ত্র বা যাদুবিদ্যা প্রয়োগের জন্য ১২ জনকে হত্যা করেন এক ব্যক্তি।












Click it and Unblock the Notifications