ক্ষুধা নিবারণে মাটি খেতে বাধ্য হল কেরালার এক শিশু
ক্ষুধা নিবারণে মাটি খেতে বাধ্য হল কেরালার এক শিশু
শহরাঞ্চলে বা মফস্বলের হোটেল রেস্টুরেন্ট কিংবা খাবারের দোকান গুলোর পাশ দিয়ে গেলেই চোখে পড়ে এমন কিছু ডাস্টবিন যার অর্ধেক টাই ভর্তি থাকে খাবারে। মানুষ অতি উৎসাহ নিয়ে খাবার কেনে আর না খেতে পারলেই নির্দ্বিধায় ছুঁড়ে ফেলে ডাস্টবিনে।

কবি সুকান্ত বলে গেছেন, 'ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়, পূর্ণিমা চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি'। এই কবিতার লাইনকেই খানিক জীবন্ত হয়ে উঠতে দেখা গেল কেরালার তিরুবনন্তপুরমের এক পরিবারে। তিন থেকে সাত বছর বয়সী এমন ছয় শিশুকে নিয়ে অনাহারে দিন কাটাচ্ছিলেন তাদের মা।
কোনও বিকল্প না দেখে বড় ছেলে ক্ষুধা নিবারণে কাদা খেতে বাধ্য হয়। এই ঘটনার পরেই, গত শনিবার ওই ছয় সন্তানের মা সরকারের কাছে সাহায্যের হাত বাড়ায়। ইতিমধ্যেই, রাজ্যের শিশু কল্যাণ দফতর ওই মহিলার দুই কন্যা সন্তান সহ চার শিশুর দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। দুটি সদ্যজাত শিশু সহ ওই মহিলাকে বর্তমানে একটি সরকারী আবাস কেন্দ্রে স্থানান্তরিত করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
বর্তমানে অনেক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনই এই পরিবারের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে। হত-দরিদ্র পরিবারটির এই দুর্দশার জন্য অনেক ক্ষেত্রেই সমাজকল্যাণমূলক সংস্থা গুলি কেরালা সরকারকে কাঠগড়ায় তুলেছে।
অন্যদিকে সূত্রের খবর, এই পরিবারটির দুর্দশা দেখে আগেও তাদের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন স্থানীয়রা। এই প্রসঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, "পরিবারের সদস্য বাড়ার সাথে সাথেই এই পরিবারের দারিদ্র্য বর্তামানে আরও তীব্র পর্যায়ে পৌঁছেছে।" এলাকার কিছু স্বাস্থ্যকর্মী আগেও এই পরিবারকে সন্তান নিয়ন্ত্রণের পরামর্শ দিলেও তা মানা হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন তারা।












Click it and Unblock the Notifications