চম্বল নদীতে স্নান করছিল ১০ বছরের ছেলে, হঠাৎ কেন চিৎকার শুরু করলেন গ্রামবাসীরা...
চম্বল নদীতে স্নান করছিল ১০ বছরের ছেলে, হঠাৎ কেন চিৎকার শুরু করলেন গ্রামবাসীরা...
গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে চম্বল নদী। সেখােনই ভর দুপুরে সাঁতরে স্নান করছিল ১০ বছরের বালক। নদীতে উথালে-পাথাল করে খেলা চলেছিলে। পাড়ের বড়রা অনেতেই িনষেধ করেছিলেন বেশি হুড়োহুড়ি না করার জন্য। কথা শোনেিন দুষ্টু বালক। হঠাৎ চোখের পলকে ঘটে গেলে কাণ্ড। মুহূর্তে আর দেখা গেলনা তাঁকে। ডুবে যাচ্ছে আশঙ্কা করে অনেকেই নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। কিন্তু ভয় পেয়ে তাঁরাই হুড়োহুড়ি করে পাড় উঠে এলেন। গ্রামবাসীদের দাবি ১০ বছরের বালককে আস্ত গিলে ফেলেছে কুমীর।

অতিকায় কুমীরকে ধরারা জন্য গ্রামের লোকেরা তোরজোর শুরু করে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় শিশুটির পরিবারের লোকেদের। তার পরে একের পর এক বাড় থেকে মাছ ধরার জাল আর ডিঙি িনয়ে নদীতে নামে গ্রামবাসীরা। কুমীরের সন্ধানে নদী উথাল পাথাল করে চলে খোঁজ। শেষে হদিশ কুমীরকে জালে ভরে পাড়ে টেেন নিয়ে আসেন তাঁরা।
গ্রামবাসীদের দাবি এই কুমীরের পেটেই রয়েছে ১০ বছরের সেই বালক। এখনও বেঁচে আছে সে। কুমীর উগরে দিলেই বেরিয়ে আসবে জীবন্ত অবস্থায়। এযেন কুম্ভীর বিভ্রাট। কুমীরের পেট থেকে যেভাবে বেরিয়ে এসেছিল কুম্ভীর বিভ্রাটের নায়ক। সেভাবেই ১০ বছরের বালকও কুমীরের পেট থেকে বেরিয়ে আসবে। শেষে হস্তক্ষেপ করে বনদফতর। খবর পেয়ে তাঁরা দলবল নিয়ে ছুটে আসে। কুমীরের উপরে তখন এক প্রকার অত্যাচার চলছে। খোঁচাখুঁচি করে কুমীরের পেট থেকে ১০ বছরের বালককে বের করার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে তারা।
শেষে বনদফতর অনেক করে বোঝাতে শুরু করে গ্রামবাসীরে। তারা যেটা মনে করছে সেটা কোনও ভাবেই সম্ভব হবে না। ঘটনাস্থলে হাজির হয় পুলিশও। তাদের অনেক বোঝানো, হুমকি এবং ভয় দেখানোর পর কুমীরকে জাল থেকে মুক্ত করে গ্রামবাসীরা। কিন্তু তাঁদের এখনও বিশ্বাস ওই কুমীরের পেটে রয়েছে তাঁদের গ্রামের ছেলে। কুমীর উগরে দিলেই সে আবার জীবন্ত অবস্থায় বেরিয়ে আসবে।












Click it and Unblock the Notifications