ভোররাতে শ্রদ্ধার দেহের টুকরো ব্যাগে নিয়ে হাঁটছে আফতাব! প্রকাশিত সিসিটিভি ফুটেজে সন্দেহ পুলিশের
সিসিটিভি ফুটেজে ভোররাতে ব্যাগ হাতে আফতাবকে হাঁটতে দেখা যাচ্ছে, দিল্লি পুলিশের সন্দেহ ব্যাগে শ্রদ্ধার দেহের টুকরো রয়েছে,
দিল্লি পুলিশের তরফে একটি সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আনা হয়েছে। সেখানে এক আফতাবকে একটি ব্যাগ ও কার্টন নিয়ে যেতে দেখা গিয়েছে। এটি অক্টোবরের সিসিটিভি ফুটেজের ভিডিও। যদিও ভিডিওটি দেখে চেনা যাচ্ছে না। দিল্লি পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ভিডিওটি আফতাবের।

শ্রদ্ধা ওয়াকারকে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত আফতাবকে গ্রেফতারের পর প্রথম কোনও ভিডিও প্রকাশ্যে এল। সেখানে দেখা গিয়েছে, এক ব্যক্তি একটি ব্যাকপ্যাক ও কার্টন নিয়ে রাস্তায় হাঁটছেন। রাস্তাটি শুনশান। পুলিশের তরফে দাবি করা হয়েছে এই ভিডিও আফতাবের। সন্দেহ করা হচ্ছে কার্টন ও ব্যাগপ্যাকের ভিতর শ্রদ্ধার দেহ রয়েছে। সিসিটিভিতে ১৮ অক্টোবর ভিডিওটি রেকর্ড করা হয়েছে। মে মাসে মুম্বই থেকে দিল্লিতে এসেছিলেন শ্রদ্ধা ও আফতাব। তার চারদিন পরেই শ্রদ্ধাকে ওয়াকারকে হত্যা করে আফতাব।
শনিবার দিল্লি পুলিশ আফতাবের ফ্ল্যাট থেকে ভারি এবং ধারাল কাটার সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, আফতাব এর সাহায্যেই শ্রদ্ধার দেহটিকে টুকরো টুকরো করে। প্রথম দিকে আফতাব তদন্তকারী অফিসারদের সাহায্য না করলেও দীর্ঘ জেরার পরে ভেঙ পড়েন আফতাব। জেরার মুখে পুলিশকে একাধিক তথ্য দেয়। জানা গিয়েছে, আফতাব পুলিশকে তদন্তে সাহায্য করছে। ভারি ও ধারাল কাটার সরঞ্জামের হদিশ পুলিশকে আফতাব দিয়েছে। অন্যদিকে, শুক্রবার গুরুগ্রামে আফতাবের অফিস থেকে ভারি পলিথিনের একটি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ওই পলিথিনের ব্যাগে কি রয়েছে পুলিশের তরফে এখনও জানানো হয়নি।
জানা যায়, শ্রদ্ধা ও আফতাব মে মাসে মুম্বই থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরিত হন। দিল্লিতে একটা ভাড়া বাড়িতে থাকতে শুরু করেছিলেন। তবে দিল্লিতে আসার পরেই শ্রদ্ধার সঙ্গে আফতাবের ঝগড়া শুরু হয়। আফতাবকে শ্রদ্ধা বিয়ে করার জন্য জোর করেন। সেখান থেকে অশান্তির সূত্রপাত হয়। দিল্লিতে আসার চার দিনের মাথায় আফতাব শ্রদ্ধাকে শ্বাসরোধ করে খুন করে। এরপর নতুন ফ্রিজ কিনে আনেন। শ্রদ্ধা ওয়াকারের দেহের ৩৫টি টুকরো করে নতুন ফ্রিজে রেখে দিন। প্রতিদিন মধ্যরাতে পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে শ্রদ্ধার দেহের টুকরো গুলোকে ফয়েল পেপারে মুড়ে ফেলে দেয়। ১৮ দিনের বেশি সময় ধরে আফতাব শ্রদ্ধার দেহের টুকরো গুলোকে দিল্লির জঙ্গলে ফেলেছিল।
পুলিস তদন্তে জানতে পেরেছে, শ্রদ্ধার ফোনগুলো বিক্রি করে দেয় আফতাব। হত্যার করার পর কিছুদিন পর্যন্ত আফতাব শ্রদ্ধার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে যাতে কারও সন্দেহ না হয়। দীর্ঘ দুই মাস ফোনে না পেয়ে শ্রদ্ধার এক বন্ধু তাঁর ভাইকে বলেন। এরপরেই শ্রদ্ধার পরিবারের সন্দেহ হয়। আফতাবকে আটক করা হয়। জেরায় আফতাব স্বীকার করে শ্রদ্ধাকে খুনের কথা।
-
আরও একটি সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন, আর কত নাম নিষ্পত্তি হওয়া বাকি? -
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই বড় রদবদল! মার্কিন সেনা প্রধানকে সরাল ট্রাম্প প্রশাসন, কারণ কী, জল্পনা তুঙ্গে -
আরও একটি মার্কিন F-35 যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের, কী বলছে আমেরিকা? -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
এপ্রিলেই বাড়ছে গরমের দাপট! আগামী সপ্তাহেই ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার আশঙ্কা, কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস -
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের প্রভাব! শিল্পে ধাক্কা, একলাফে বাড়ল ডিজেলের দাম, কত হল? জানুন -
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ভোটের আগে তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ইডির তলব -
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ! MRI Scan-এর খরচ আকাশছোঁয়া হতে পারে, বিপাকে পড়তে পারেন রোগীরা -
অমিত শাহের রাজ্যে থাকার ঘোষণায় তীব্র কটাক্ষ মমতার, বললেন, যত বেশি থাকবে, তত ভোট কমবে












Click it and Unblock the Notifications