৯ হাজার মোবাইলে কড়া নজরদারি? হ্যাক মমতার ফোন? ফোন ট্যাপিংয়ে কাঠগড়ায় কংগ্রেসও
৯ হাজার মোবাইলে কড়া নজরদারি? হ্যাক মমতার ফোন? ফোন ট্যাপিংয়ে কাঠগড়ায় কংগ্রেসও
পেগাসাস কাণ্ডে ইতিমধ্যেই গোটা দেশব্যাপী আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে কংগ্রেস। ঘরে বাইরে চাপের মুখে পড়েছে বিজেপি। যা নিয়ে দুদিনব্যাপী রীতিমতো সরগকরম জাতীয় রাজনীতি। ইজরায়েলি এই স্পাইওয়্যার একাধিক নেতা, মন্ত্রী থেকে শুরু করে ৪০ জনের বেশি সাংবাদিক, শিল্পপতি, সমাজকর্মী, বিচারপতিদের ফোন হ্যাক করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আর গোটা ঘটনার পিছনের অভিযোগ তীর কেন্দ্রের দিকে।

৯ হাজার মোবাইল নম্বর ও ৫০০ ইমেলে কড়া নজরদারি ?
এমতাবস্থায় এবার ২০১৩ সালের একটি আরটিআই নিয়ে পাল্টা কংগ্রেসকেই বিঁধছে কেন্দ্র। সূত্রের খবর, সেই সময় ফোন ট্যাপিংয়ের জেরে মুখ পড়ে তদানন্তীন ইউপিএ সরকারের। সেই সময় করা একটি আরটিআই-এ দেখা যায় প্রতিমাসে ৯ হাজার মোবাইল নম্বর ও ৫০০ ইমেলে কড়া নজর রাখছিল সরকার। ২০১৩ সালের ৬ অগাষ্ট তদান্তনীন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে একটি আরটিআই-র জবাবে এই তথ্য সামনে আনা হয়েছিল বলে খবর।

কাঠগড়ায় কংগ্রেসও
যদিও সবই দেশের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার স্বার্থে করা হয়েছিল বলে সরকারের তরফে স্পষ্ট করা হয়। সেই সময়ে করা আরটিআই-র উত্তরে বলা হয়, প্রতিমাসে সরকারের তরফে গড়ে সাড়ে ৭ হাজার থেকে ৯ হাজার ফোনে নজরদারি চালানোর জন্য কেন্দ্রের তরফে অনুরোধ করা হয়েছিল। পাফাশি মাসে ৩০০ থেকে ৫০০ ইমেলে নজরদারি চালানোর অনুরোধ আসত সরকারের তরফে।

ফোন ট্যাপিং নিয়ে একাধিকবার জলঘোল ভারতের রাজ্য-রাজনীতিতে
এদিকে শুধুমাত্র ২০১৩ নয়। রাজনীতিবিদদের ফোন ট্যাপিংয়ের ইতিহাস ভারতে বহু পুরনো। ২০১৯ সালের ১৯ জানুয়ারী সমাজবাদী পার্টির তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক অমর সিং অভিযোগ করেছিলেন যে তাঁর ফোনও ট্যাপ করা হচ্ছিল। অভিযোগের তীর গিয়েছিল তদানন্তীন মনমোহন সিং সরকারের দিকে। পরে অন্যান্য বিরোধী নেতারা যেমন সীতারাম ইয়েচুরি, জয়ললিতা, চন্দ্রবাবু নাইডুরাও একই অভিযোগ করেছেন।

মমতার ফোন ট্যাপ করে বাম সরকার ?
অন্যদিকে ২০০৯ সালের ১৭ অক্টোবর তত্কালীন রেলমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার বাম সরকারের বিরুদ্ধে তাঁর ফোনে নজরদারি চালানোর অভিযোগ তোলে। তাঁর ফোন, ইমেল এমনকি এসএমএস ট্যাপ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। যা নিয়ে উত্তাল হয় বাংলার রাজ্য-রাজনীতি। এমনকী পরবর্তীতে কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে ফোন ট্যাপিংয়ের অভিযোগে সেই সময় যৌথ সংসদীয় কমিটি বা জেপিসি তদন্তেরও দাবি ওঠে। যদিও তদানন্তীন প্রধানমন্ত্রী মনমহোন সিং আবার বিরোধীদের সমস্ত দাবি খারিজ করে দেন।












Click it and Unblock the Notifications