মহারাষ্ট্রের সাংলিতে একই পরিবারের নয় সদস্যের দেহ উদ্ধার, ঋণের দায়ে আত্মহত্যার আশঙ্কা

মহারাষ্ট্রের সাংলিতে একই পরিবারের নয় সদস্যের দেহ উদ্ধার, ঋণের দায়ে আত্মহত্যার আশঙ্কা

সোমবার মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী থাকল মহারাষ্ট্রের সাংলি জেলা। মিরাজ তহসিলের মহিসাল গ্রামে একই পরিবারের নয় সদস্যের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ মনে করছে, বিষক্রিয়ার ফলেই ওই নয় জনের মৃত্যু হয়েছে। আত্মহত্যার সম্ভাবনা পুলিশ উড়িয়ে দিচ্ছে না।

মহারাষ্ট্রের সাংলিতে একই পরিবারের নয় সদস্যের দেহ উদ্ধার, ঋণের দায়ে আত্মহত্যার আশঙ্কা

মহারাষ্ট্রের সাংলি জেলার পুলিশ আধিকারিক দীক্ষিত গেদাম জানিয়েছেন, পাশাপাশি দুটি বাড়ি থেকে নয় জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একটি বাড়ি থেকে তিন জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পাশের বাড়ি থেকে বাকি ছয় জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাড়িয় নয় সদস্য আত্মহত্যা করেছে কি না, এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখনই আত্মহত্যার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছে। ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণ করছে। ইতিমধ্যে মৃত্যুর কারণ জানতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে। অন্য এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে আত্মহত্যার ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে। বিষ পান করে আত্মহত্যা করেছে সকলে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট জানার পরেই এই বিষয়ে বিস্তারিতভাবে বলা সম্ভব।

পুলিশ সূত্রের খবর, পাশাপাশি দুটি বাড়িতে দুই ভাই তাঁদের পরিবার নিয়ে থাকতেন। মৃতদের মধ্যে দুই ভাই মানিক ও পপট ইয়ালাপ্পা ভানাম রয়েছে। মানিক পেশায় পশু চিকিৎসক। মানিকের বাড়িতে তাঁক মা, স্ত্রী ও দুই সন্তানের মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। পপটের বাড়িতে স্ত্রী ও দুই সন্তানের মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রের খবর, সোমবার সকাল থেকে দুই বাড়ির কেউ দরজা খোলেনি।

প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। তাঁরা দরজায় ধাক্কা দেয়। কিন্তু তারপরেও কেউ দরজা খোলে না। তখন তাঁকরা দরজা ভেঙে বাড়িতে প্রবেশ করে। একটি বাড়ি থেকে ছয় জনের মৃতদেহ পাওয়া যায়। অন্য ভাইয়ের বাড়ি থেকে তিন জনের মৃতদেহ পাওয়া যায়। প্রতিবেশীরা জানান, দুই ভাই আর্থিক অনটনের মধ্যে যাচ্ছিলেন। গ্রামের অনেকের কাছ থেকে তাঁর ধার করেছিলেন। পাশাপাশি তাঁরা আত্মীয়দের কাজ থেকে ধার করেছিলেন। পুলিশ নয়টি দেহকে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে গিয়েছে।

পাঁচ বছর আগে মুম্বই থেকে ৩৫০ কিলোমিটার দূরে এই সাংলি জেলা শিরোনামে উঠে এসেছিল। গর্ভপাতের পরে এক মহিলার মৃত্যুর তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ প্ল্যাসটিকের ব্যাগে ১৯টি ভ্রূণ খুঁজে পেয়েছিল। এই খবর প্রকাশিত হওয়ার পরে সারা দেশে আলোড়ন পড়ে যায়।
কর্ণাটকের সীমান্তে এই সাংলি জেলা অবস্থিত।

এখানেই এক হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক নির্বিচারে ভ্রূণ হত্যা করতেন। ২৬ বছরের এক যুবতীর গর্ভপাতের সময় মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ তদন্ত করতে এসে বিশাল ব়্যাকেটের সন্ধান পায়। সেই সময় গ্রামবাসীরাই এই হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকের সন্ধান দেয়। অভিযুক্ত হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকের বাড়ির সামনের নর্দমা থেকে একটি প্ল্যাস্টিকে ১৯টি ভ্রূণ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, অবৈধ উপায়ে ভ্রূনের লিঙ্গ নির্ধারণ করা হতো। কন্যা ভ্রূণদের হত্যা করা হতো।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+