৪০০ জনকে জোর করে ধর্মান্তকরণের চেষ্টা, ৯ জনের বিরুদ্ধে দায়ের মামলা
নয় জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে উত্তরপ্রদেশের মেরটে মামলা দায়ের করা হল থেকে আটক করা হল। অভিযোগ এই যে, প্রায় ৪০০ জনকে জোড় করে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা করা হছিল। খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত করছিল বলে অভিযোগ উঠেছে ওই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে। যাদের উপর জোর করে এই কাজ করার চেষ্টা হচ্ছিল তাঁরাই পুলিশের এসএসপির কাছে যান এবং এই নিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁরা গিয়ে বলেন যে তাদেরকে জোর করে খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহন করতে বাধ্য করা হচ্ছে। ঘটনাটি ঘটেছে মানগাট পুরামের মালিন গ্রামে।

অভিযোগ
এও অভিযোগ করা হয়েছে যে তাদেরকে হিন্দু দেব দেবীর থেকে জোর করে পুজো বন্ধ করতে বলা হয়। জানা গিয়েছে যে করোনার জেরে শুরু হওয়া মহামারির সময় থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তি এই কাজ শুরু করে বলে জানা গিয়েছে। তারপর থেকে জোর করে বহু জনকে খ্রিস্টান করে দেন।

ব্রহ্মপুত্রি থানায় অভিযোগ
শুক্রবার ওই ঘটনায় যারা সমস্যায় পড়েছিলেন তাঁরা ব্রহ্মপুত্রি থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। সঙ্গে ছিলেন একজন বিজেপি নেতাও। বলা হয় যে, "অভিযুক্ত ব্যক্তি তাদেরকে টাকা ও খাবার দিয়ে তাঁদের ধর্ম পরিবর্তন করার চেষ্টা করে। অভিযোগ এখন ওই ব্যক্তি তাদেরকে নাকি হিন্দু দেব দেবীর থেকেই দূরে সরে যেতে বলছে। গ্রামে সবাইকে খ্রিস্টান ছাড়া কোনও ধর্মের উপসনা হবে না। তাই তাঁদের কাছেপিঠে যাতে কোনও হিন্দু দেব দেবীর মূর্তি , ছবি কিচ্ছু না থাকে সেই কথা বলা হচ্ছে।

কী বলছে পুলিশ?
তাঁরা পুলিশকে জানিয়েছে যে, তাঁদের জোর করে ধর্ম পরিবর্তন করার চেষ্টা চলছিল। তাঁদের নাম বদলে ফেলতে বলা হয়। আধার কার্ডেও যাতে সেই নাম যায় তাও করতে বলা হয়েছে। ওই ব্যক্তি দেওয়ালির দিন আমরা যখন পুজো করছিলাম তখন আচমকা বাড়িতে ঢুকে পড়ে এবং বাড়িতে তাণ্ডব চালায়। এও বলা হয় যে কেন তাঁরা ধর্ম পরিবর্তন করেও এই দেব দেবীর পুজো করছে? প্রতিবাদ করলে প্রাণে মেরে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

কী জানা যাচ্ছে?
এফআইআর থেকে জানা গিয়েছে ওই অভিযুক্তদের নাম ছাবিলি বা শিবা, বিনওয়া, অনিল, সর্দার, নিক্কু, বসন্ত, প্রেমা, তিতলি এবং রাণী। এমন কাজ দেশে প্রথম তা নয়। এমন কাজের অভিযোগ এসেছিল মাস তিনেক আগে। সেই ঘটণা ছিল ওডিশার। একইভাবে চেষ্টা করা হয় ধর্মান্তকরন করার চেষ্টা করা হয় গ্রামের মানুষকে।












Click it and Unblock the Notifications