৮১ জনের মৃত্যু-ধসে চাপা পড়ে রয়েছেন ৫৫ জন, মণিপুরে এমন বিপর্যয় আগে ঘটেনি বললেন মুখ্যমন্ত্রী বীরেন

৮১ জনের মৃত্যু-ধসে চাপা পড়ে রয়েছেন ৫৫ জন, মণিপুরে এমন বিপর্যয় আগে ঘটেনি বললেন মুখ্যমন্ত্রী বীরেন

এরকম ধস আগে কখনো দেখেনি মণিপুরবাসী। ধসের চাপা পড়ে কমক্ষে ৮১ জন মারা গিয়েছেন। এখনো ৫৫ জন ধসে চাপা পড়ে রয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিং শনিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি উদ্ধারকাজ খতিয়ে দেখেন। বীরেন সিং বলেছেন এতবড় মাপের ভয়াবহ ধস আগে কখনও হয়নি মনিপুরে। ৮১-তে পৌঁছে গিয়েছে মৃত্যুর সংখ্যা। আজও সেখানে চলছে উদ্ধারকাজ।

মণিপুরে এমন বিপর্যয় আগে ঘটেনি বললেন মুখ্যমন্ত্রী বীরেন

গত পরশু প্রবল বর্ষণে ধস নেমেছিল মনিপুরের নাওমি জেলা। সেখানে রেলের লাইন সম্প্রসারণের কাজ চলছিল। সেখানেই ধস নামে। যেখানে ধস নেমেছিল সেখানে শ্রমিকরা অস্থায়ী শিবির করে থাকছিলেন। সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধারকাজ শুরু করে বিপর্যয় মোকাবিলা দল। তাঁদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর। কমপক্ষে ৮১ জন মারা গিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ৫৫ জন এখন ধসের নীচে চাপা পড়ে রয়েছেন। তাঁদের সকলেই মারা গিয়েছেন তাতে কোনও সন্দেহ নেই। কারণ গত ২-৩ দিন ধরে ধসে চাপা পড়ে রয়েছেন তাঁরা।

যেকয়েকজন মারা গিয়েছেন তাঁদের মধ্যে ১৮ জন টেরিটোরিয়ান আর্মির বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী বীরেন িসং। উদ্ধারকাজে শেষ পর্যন্ত সেনা নামানো হয়েছে। যাঁরা মারা গিয়েছেন তাঁদের মধ্যে বাংলার বাসিন্দা রয়েছেন। আর ২ থেকে ৩ দিন উদ্ধারকাজ চলবে বলে জানানো হয়েছে। উদ্ধারকারীরা জানিয়েছেন ভারতীয় সেনা, অসম রাইফেলস এবং টেরিটোরিয়াল আর্মির সেনা রয়েছেন। এছাড়াও এসডিএফ এবং এনডিআরএফের উদ্ধারকারীরাও কয়েকজন মারা গিয়েছেন। টেরিটোরিয়াল আর্মির ১৫ জনের খোঁজ এখনও পাওয়া যায়নি। এছাড়া ২৯ জন সাধারণ মানুষ এখনও নিখোঁজ।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘটনার পরেই মনিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিংকে ফোন করেছিলেন। তিনি রাজ্য সরকারকে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ খোঁজ নিয়েছেন ফোন করে। তাঁর নির্দেশে এনডিআরএফের অতিরিক্ত দল ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে মনিপুরে তাঁরা উদ্ধারকাজ শুরু করে দিয়েছে। এদিকে উত্তরপূর্বের একাধিক রাজ্য বর্ষায় বিধ্বস্ত। অসমের অবস্থা আরও খরাপ হতে শুরু করেছে। ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত অসম। ২ হাজারের বেশি গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত। ২১লক্ষের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েেছন। বর্ষণে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা শিলচরের। সেখানে এখনও জলের মধ্যে বসবাস করছেন সাধারণ মানুষ। পানীয় জলের জন্য হাহাকার চলছে। ১ বোতল পানীয় জল ১০০ টাকার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+