৭৫তম স্বাধীনতা দিবস, জাতীয় সঙ্গীতের পাশাপাশি কোন কোন রাজ্যে কি কি রাজ্য সঙ্গীত গাওয়া হয় জানুন
৭৫তম স্বাধীনতা দিবস, জাতীয় সঙ্গীতের পাশাপাশি কোন কোন রাজ্যে কি কি রাজ্য সঙ্গীত গাওয়া হয় জানুন
জাতীয় সঙ্গীতের পাশাপাশি ইতিমধ্যেই ভিন্ন রাজ্য সঙ্গীত তৈরির জন্য তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। তৈরি হয়েছে ভিন্ন কমিশন। মতামত চাওয়া হচ্ছে সাধারন নাগরিকদেরও। এদিকে ভারত মূলত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল নিয়ে গঠিত একটি ফেডারেশন। এর মধ্যে কয়েকটি রাজ্য এবং অঞ্চল রাজ্য বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ব্যবহারের জন্য দাপ্তরিকভাবে বিভিন্ন রাজ্য সঙ্গীত তৈরি করেছে। প্রশাসনিক কাজ ছাড়াও বিভিন্ন প্রয়োজনে বিভিন্ন সময় সেগুলির ব্যবহার হয়ে থাকে।

সামাজিক, ভৌগলিক বৈচিত্র্যের কথাও উঠে আসে রাজ্য সঙ্গীত
এদিকে জাতীয় সঙ্গীতের মতো একীভূত সুর দেখতে পাওয়া যায় না রাজ্য সঙ্গীতের ক্ষেত্রে। প্রতি রাজ্যের ক্ষেত্রেই ভিন্ন ভিন্ন ভিন্নতা লক্ষ্য করা যায়। সেইক্ষেত্রে সেই রাজ্য সামাজিক, ভৌগলিক অবস্থান ও বৈচিত্রও বিশেষ ভাবে গুরুত্ব পায়। এদিকে বিভিন্ন রাজ্যের ক্ষেত্রে যে গানগুলি রাজ্য সঙ্গীত হিসাবে রাখা হয়েছে তাতে সেই রাজ্যেরই বিভিন্ন জনপ্রিয়, প্রচলিত গানের ছোঁয়া দেখতে পাওয়া যায়। যেমন অন্ধ্রপ্রদেশের রাজ্য সঙ্গীতের নাম 'মা তেলেগু থালিকি' যার বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায় 'আমাদের তেলেগু মাতার প্রতি'। গোটা গানটিই তেলেগু ভাষাতেই লেখা।

কি বলছে অসম
অন্যদিকে অসমের রাজ্য সঙ্গীত 'অ' মোর আপোনার দেশ'। অসমীয়া ভাষায় লেখা এই গানটির মানে হে আমার প্রিয় দেশ! গানটির গীতাকার হলেন লক্ষ্মীনাথ বেজবরুয়া। ১৯২৭ সাল থেকে এই গানটির অফিসদিয়াল রাজ্য সঙ্গীত হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছে সে রাজ্যে। অন্যদিকে বিহারের রাজ্য সঙ্গীত 'মেরে ভারত কে কণ্ঠহার' যার বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায় আমার ভারতের গলার হার। হিন্দি ভাষায় লেখা হয়েছে এই গান। ২০১২ সাল থেকে চলছে এই গানের প্রচলন।

ছত্তিশগড়-গুজরাতের রাজ্য সঙ্গীত কেমন জেনে নিন
অন্যদিকে ছত্তিশগড়ের রাজ্য সঙ্গীতের নাম অরপা পৈরী কে ধার। যার বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায় অরপা এবং পৈরীর জলপ্রবাহ। ছত্তিশগড়ি ভাষাতে লেখা হয়েছে এই গান।২০১৯ সাল থেকে প্রচলন হয়েছে এই গানের। গুজরাতের রাজ্য সঙ্গীতের নাম জয় জয় গরবী গুজরাত। যার বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায় গর্বিত গুজরাটের বিজয়! গুজরাতি ভাষাতে লেখা হয়েছে এই গান। ২০১১ সাল থেকে প্রচলন হয়েছে এই গানের।

নজরে কর্নাটক ও মধ্যপ্রদেশ
এদিকে কর্নাটকের রাজ্য সঙ্গীতের নাম জয় ভারত জননীয় তনুজতে।যার বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায় ভারত মাতার কন্যা, মাতা কর্ণাটকের বিজয়! কন্নড় ভাষাতে লেখা হয়েছে এই গান। ২০০৪ সাল থেকে প্রচলন হয়েছে এই গানের। মধ্যপ্রদেশের রাজ্য সঙ্গীতের নাম মেরা মধ্যপ্রদেশ।যার বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায় আমার মধ্য প্রদেশ। অন্যদিকে ওড়িশার রাজ্য সঙ্গীতের নাম মেরা মধ্যপ্রদেশ বন্দে উৎকল জননী।যার বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায় তোমার বন্দনা করি, হে মা উতকল!

একনজরে তামিলনাড়ু ও সিকিমের জাতীয় সঙ্গীত
তামিলনাড়ুর রাজ্য সঙ্গীতের নাম তামিল তায় ওয়ালত্তু।যার বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায় তামিলমাতৃৃ বন্দনা। অন্যদিকে উত্তরাখণ্ডের রাজ্য সঙ্গীতের নাম উত্তরাখণ্ড দেবভূমি মাতৃভূমি ।যার বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায় উত্তরাখণ্ড, দেবতার ভূমি, মাতৃভূমি। সিকিমের রাজ্য সঙ্গীতের নাম জাহান বাগচা তিস্তা রঙ্গীত। নেপালি ভাষায় লেখা এই গানের বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায় যেখানে তিস্তা এবং রঙ্গীত প্রবাহিত হয়।












Click it and Unblock the Notifications