যোগীরাজ্যে ৭৪ শতাংশ প্রতিদিন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সম্মুখীন! সমীক্ষায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

যোগীরাজ্যে ৭৪ শতাংশ প্রতিদিন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সম্মুখীন হয়েছেন বলে সমীক্ষায় চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিদিন ৪ ঘণ্টা করে বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়েছে প্রায় সর্বত্র। কেউ কেউ এটিকে ৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎমুক্ত থাকার অভ্যাস বলে বর্ণনা করছেন। ইউপিপিএলসির পরিকাঠামো ও বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর ক্ষমতা নিয়ে উঠে পড়েছে প্রশ্ন।

উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এই মর্মে জানান, এবার চরম গ্রীষ্ম হয়েছে। শুধু তাপমাত্রার বৃদ্ধি নয়, রাজ্যজুড়ে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে ধারাবাহিকভাবে। এরই মধ্যে লোকাল সার্কেল নামে সম্প্রদায়-ভিত্তিক সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম একটি সমীক্ষা পরিচালনা করেছে।

yogi adityanath

এই সমীক্ষায় ২০২৩ সালের জুলাই মাসে এলাকার বাসিন্দাদের দৈনিক বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ফ্রিকোয়েন্সি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। আশ্চর্যজনকভাবে ৪২০৬ জনের মধ্যে ৭৪ শতাংই জানিয়েছেন দৈনিক বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সম্মুখীন হওয়ার কথা। ৫৫ শতাংশ বলেছেন, তাঁরা তিন বা চার দিন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে পড়ছেন সপ্তাহে।

উত্তরপ্রদেশ পাওয়ার কর্পোরেশন লিমিটেডের (ইউপিপিসিএল) প্রধান এম দেবরাজ, রাজ্যের বিদ্যুৎ খাতে একটি ভয়াবহ আর্থিক সংকটের কথা স্বীকার করেছেন। ২০২৩ সালের জুনে তিনি স্বীকার করেছেন, এই কাতে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকা। লোকাল সার্কেল রিপোর্টে উঠে এসেছে এমনই তথ্য।

তিনি এই মর্মে কর্পোরেশন মিটারিং এবং বিলিং পদ্ধতি উন্নত করার কথা জানিয়েছেন। সেইসঙ্গে বিদ্যুৎ চুরির কারণে লাইন লস কমানোর পরিকল্পনাও নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন। জুনে উত্তর ভারতজুড়ে তাপমাত্রা বেড়ে যায় সাংঘাতিক। ফলে বিদ্যুৎ খরচও বেড়ে যায়। এই পরিস্থিতিকে সামাল দেওয়াই দুঃসাধ্য হয়ে যায় তখন।

সমীক্ষা প্রকাশ, লখনউ শহরের আশিয়ানা এলাকায় গত সপ্তাহে প্রতিদিন পাঁচ ঘণ্টারও বেশি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। বর্ষাকালে তাপমাত্রা কমলেও বিষাক্ত আবহাওয়ার সঙ্গে হিমশিম খেতে হয়েছে বাসিন্দাদের। লোকাল সার্কেল উত্তরপ্রদেশজুড়ে ৫১টি জেলায় বসবাসকারী ৮০০০-এরও বেশি নাগরিকের কাছ থেকে প্রতিক্রিয়া পেয়েছে।

সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে, ১৩ শতাংশ মানুষ কম বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সম্মুখীন হয়েছেন। বাকিরা বিভিন্ন ফ্রিকোয়েন্সি ব্ল্যাকআউটের মুখোমুখি হয়েছেন। এখানেই বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সঙ্গে উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দাদের সংগ্রামের একটি জটিল চিত্র প্রকাশ হয়েছে। দেখা গিয়েছে, ৭৪ শতাংশ প্রতিদিন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সম্মুখীন হন।

১৯ শতাংশ রিপোর্ট করেছেন যে দিনে ১-২ বার বিদ্যুৎ কাট হয়েছে। অন্য ১৯ শতাংশ বলছেন, বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়েছে ৩ থেকে ৫ বার। ৩০ শতাংশ বলেছেন ৬ থেকে ১০ বার। আর ৬ শতাংশ বলেছেন বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়েছে ২০ বারেরও বেশি। ১৩ শতাংশ পরিস্থিতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ছিল না।

সমীক্ষায় প্রতিদিন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময়কাল সম্পর্কে আরও অনুসন্ধান করা হয়েছে। ৩৬ শতাংশ এখনও দৈনিক ২ ঘন্টার বেশি সময় ধরে বিভ্রাট সহ্য করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন। তবে জুন মাস থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বর্তমানে। তখন সংখ্যাটি ছিল ৭৪ শতাংশ।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+