Sikkim: নাথুলায় তুষার ধসে মৃত্যু কলকাতার বাসিন্দার, ত্রাণ নিয়ে খোঁজ নিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক
সিকিমে তুষার ধসে এখনও পর্যন্ত ৭ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তীব্র গতিতে পাহাড় থেকে নেমে আসছে তুষারের স্রোত। সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিও। তুষার ধসে এখনও পর্যন্ত ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে আহত হয়েছেন ১২ জন। ২০ জন পর্যটককে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে।
এপ্রিল মাসেও প্রবল তুষারপাত হচ্ছে সিকিমে। এমন আবহাওয়া আগে কখনও দেখা যায়নি। সিকিমের সবচেয়ে জনপ্রিয়তম পর্যটন কেন্দ্র নাথুলায় গতকাল দুপুরে ভয়াবহ তুষার ধস নেমেছে। তার জেরে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে সেখানে। এখনও পর্যন্ত ৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। তার মধ্যে ২ বাঙালি পর্যটকও রয়েছেন। আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে ১২ জনকে। এখনও অনেকে আটকে রয়েছেন

সেনাবাহিনী মোট ২২ জন পর্যটককে উদ্ধার করে নিয়ে এসেছে সেখান থেকে। আরও বেশ কয়েকজন সেখানে আটকে রয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের পক্ষ থেকে খোঁজ নেওয়া হয়েছে গোটা পরিস্থিতির সঙ্গে। সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করে ত্রাণ পর্যাপ্ত রয়েছে কিনা তার খোঁজ খবর নিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। বিপর্যয়ের কথা মাথায় রেখে সিকিম সরকার উত্তর এবং পূর্ব সিকিমের পারমিট দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় সিকিমের তুষার ধসের একাধিক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে তীব্র গতিতে ধেয়ে আসা জলের স্রোতের মত পাহাড় থেকে নেমে আসছে বরফ। সেই বরফের স্রোতের তোড়ে ভেসে যাচ্ছেন পর্যটকরা। আতঙ্কে রাস্তায় দাঁড়েয় থাকা পর্যটকরা ছোটাছুটি করছেন। আতঙ্কের সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এখনও সেখানে আটকে রয়েছেন শতাধিক পর্যটক।

গ্যাংটকের দিকে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ থাকায় বিপদে পড়েছেন পর্যটকরা। আটকে রয়েছেন শতাধিক পর্যটক। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় রাস্তা সারাইয়ের কাজ চলছে। পরিস্থিতি বিপজ্জনক আঁচ করেই উত্তর-পূর্বা সিকিমের সব পারমিট বাতিল করেছে সিকিম সরকার।
যে দুই বাঙালি পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে তাঁর মধ্যে একজন কলকাতার বাসিন্দা। তাঁর নাম প্রীতম মাইতি (৩৮)। দ্বিতীয় জন শিলিগুড়ির বাসিন্দা। তাঁর নাম সৌরভ চৌধুরী (২৭)। এছাড়াও আর যে পাঁচ পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে তাঁদের মধ্যে তিনজন নেপালের বাসিন্দা এবং ২ জন উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা। মঙ্গলবার পর পর ২ বার ধস নেমেছে নাথুলা থেকে গ্যাংটক যাওয়ার রাস্তায়। তার জেরে প্রায় পর্যটকদের সাত থেকে ৮টি গাড়ি আটকে গিয়েছে।

প্রবল তুষারপাত চলছে উত্তর সিকিম জুড়ে। মার্চ মাস থেকেই সাধারণ তুষারপাত কমতে শুরু করে সিকিমে। কিন্তু এবারে একেবারে অন্যরকম আবহাওয়া দেখা গিয়েছে সিকিমের পাশাপাশি সান্দকফুতেও তুষারপাত হয়েছে এপ্রিলমাসে। সেই তুষারপাত এতোটাই ভয়াবহ যে ছাঙ্গু, নাথুলা, বাবা মন্দির, জুলুক, গুরুদংমার লেক, লাচুং সবটাই তুষারে ঢেকে গিয়েছে। ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে সেখান। তুষারপাতের জেরে নর্থ সিকিমের সব পর্যটন কেন্দ্রগুলিই প্রায় বন্ধ রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications