রাজ্যবাসীর পাশাপাশি মহারাষ্ট্র সরকারের ৬০ শতাংশ মন্ত্রী কোভিড–১৯ পজিটিভ
মহারাষ্ট্র সরকারের ৬০ শতাংশ মন্ত্রী কোভিড–১৯ পজিটিভ
মহারাষ্ট্রে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের বৃদ্ধি ক্রমেই রাজ্যবাসীর চিন্তার কারণ হয়ে উঠছে। তার ওপর রাজ্য সরকারের নেতা–মন্ত্রীরাই সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন এই মারণ ভাইরাসে। জানা গিয়েছে, শীর্ষ এনসিপি ও রাজ্যের খাদ্য ও সিভিল সরবরাহ মন্ত্রী ছগন ভুজবল সোমবার করোনা পজিটিভ বলে জানা গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত উদ্ধব ঠাকরে নেতৃত্বাধীন সরকারের ৬০ শতাংশ মন্ত্রী করোনা ভাইরাসের সংস্পর্শে এসেছেন।

রাজ্য সরকারের বহু মন্ত্রী করোনায় আক্রান্ত
গত বছর রাজ্যে করোনা ভাইরাস প্রকোপের সময় মহা বিকাশ আঘহাদি (এমভিএ)-এর সরকারের ৪৩ জন মন্ত্রীর মধ্যে ২৩ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। এমনকী বর্তমানে রাজ্যে করোনা ভাইরাস বৃদ্ধির সময়ও গত সপ্তাহে পাঁচজন মন্ত্রী কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন। ভুজবল ছাড়াও, সেচমন্ত্রী জয়ন্ত পাটিল, খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন মন্ত্রী ডাঃ রাজেন্দ্র সিংঘনে এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রী রাজেশ টোপে কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়াও দ্বিতীয়বারের জন্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন রাজ্যের স্কুল শিক্ষামন্ত্রী ওমপ্রকাশ ওরফে বাচ্চু কাদু।

এনসিপি নেতাদের মধ্যে অধিকাংশ কোভিড পজিটিভ
যে তিনটে দলের সমন্বয়ে এমভিএ সরকার গঠন হয়েছে, তার মধ্যে এনসিপি দলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে এই করোনা, ১৬ জন মন্ত্রীর মধ্যে ১৩ জন কোভিড-১৯ পজিটিভ। অন্যদিকে, কংগ্রেসের সাতজন মন্ত্রী ও শিবসেনার পাঁচজন ও একজন স্বাধীন মন্ত্রী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এঁরা ছাড়াও উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অনিল দেশমুখ, আবাসন মন্ত্রী জিতেন্দ্র আহাদ, সামাজিক বিচার মন্ত্রী ধনঞ্জয় মুণ্ডে, গ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রী হাসান মুসরিফ, কো-অপারেটিভ মন্ত্রী বালাসাহেব পাটিল ও এমওএস সঞ্জয় বানসোদে ও প্রজকত তানপুরে এই মারণ ভাইরাসের কবলে পড়েছেন।

আক্রান্ত কংগ্রেস
কংগ্রেসের মন্ত্রী অশোক ছাবান (পিডব্লুডি), নীতিন রাউয়াত (শক্তি), আসলাম শেখ (বস্ত্র), বর্ষা গাইকোয়াড় (স্কুল শিক্ষা), সুনীল কেদার (ক্রীড়া ও যুব), এমওএস বিশ্বজিত কদম ও সতেজ পাটিলও এই ভাইরাসে আক্রান্ত বলে জানা গিয়েছে।

শিবসেনার মন্ত্রীরা আক্রান্ত
শিবসেনার পক্ষ থেকে শহরোন্নয়ন মন্ত্রী একনাথ শিন্ডে, পরিবহন মন্ত্রী অনিল পরব, কৃষি মন্ত্রী দাদা ভুসে, উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী উদয় সামন্ত এবং এমওএস রাজস্ব আবদুল সাত্তার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন।

মহারাষ্ট্র ও মুম্বইতে কেস সংখ্যা
গত তিনদিনে রাজ্যে ৬ হাজারের বেশি করোনা কেস সনাক্ত হয়েছে, যার মধ্যে সোমবার নতুন করে ৫,২১০টি কেস ধরা পড়েছে। টানা ২দিন ৯০০-এর বেশি নতুন করোনা কেস ধরা পড়ার পর মুম্বইয়ে একদিনে কিছুটা হলেও হ্রাস পেয়েছে সংখ্যা, ২ দিন পর মুম্বইতে দৈনিক নতুন কোভিড-১৯ কেস সংখ্যা ৭৬০টি। ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মুম্বইয়ে সক্রিয় কোভিড-১৯ কেস ৩৬.৩৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
{quiz_516}












Click it and Unblock the Notifications