H3N2- ইনফ্লুয়েঞ্জাতে দেশে ছয়জনের মৃত্যু খবর! সতর্ক থাকতে বলছেন চিকিৎসকরা
করোনা থেকে সবে মুক্তি মিলেছে মানব জাতির। আর এর মধ্যেই নয়া ভাইরাসে আতঙ্ক দেশজুড়ে। ইনফ্লুয়েঞ্জাতে দেশ জুড়ে সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে। সাবধান থাকার কথা বলছেন চিকিৎসকরা।
ইনফ্লুয়েঞ্জা A সাবটাইপ H3N2 কে হংকং ফ্লু বলা হয়! নয়া এই ভাইরাস ক্রমশ ভয় ধরাচ্ছে। এখন থেকে সচেতন না হলে আগামীদিনে হংকর ভাইরাস ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে বলে ইতিমধ্যে আশঙ্কা চিকিৎসকদের। আর এর মধ্যেই H3N2- ভাইরাসে দেশে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে। আর এই খবর সামনে আসার পর থেকেই আশঙ্কা আরও তীব্র হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। একই সঙ্গে বাড়ছে আতঙ্কও।

ছয়জনের মৃত্যু নয়া এই ভাইরাসে
স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হরিয়ানাতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে কর্নাটকে। মৃত্যুর খবর আসছে পাঞ্জাব থেকেও। এখনও পর্যন্ত গোটা দেশে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। H3N2 ইনফ্লুয়েঞ্জা-এর আক্রান্তের সংখ্যা দেশে ৯০। কার্যত দুরন্ত গতিতে নয়া ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। এই অবস্থায় চিকিৎসকদের সতর্ক থাকার কথা বলছেন চিকিৎসকরা। তবে H3N2 ইনফ্লুয়েঞ্জা নিয়ে কোনো আতঙ্কের পরিস্থিতি নেই স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এটি একটি সাধারণ ফ্লুয়ের মতো বলেও জানাচ্ছে মন্ত্রক। তবে এই অবস্থায় সাবধান থাকাটা খুবই জরুরি।

অ্যাডভাইজারি জারি করেছে IMA
অন্যদিকে H1N1-এ এখন =ও পর্যন্ত দেশে আটজন আক্রান্ত হয়েছেন। এই মুহূর্তে মোট তিনরকমের ইনফ্লুয়েঞ্জা রয়েছে। H1N1, H3N2 এবং ইনফ্লুয়েঞ্জা B। যদিও এই মুহূর্তে ভারতে দুই ধরনের ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। H1N1 এবং H3N2 -তে বেশি করে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। বলা হচ্ছে, ইনফ্লুয়েঞ্জা এ সাবটাইপ H3N2 ভাইরাস। ইতিমধ্যে এই বিষয়ে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (IMA) অ্যাডভাইজারি জারি করেছে। যেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে জ্বর, মাথা ব্যাথা, গলায় ব্যাথা থাকলেই চিকিৎসকদের পরামর্শ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। শুধু তাই নয়, সাধারণভাবে গরম থেকে ঠান্ডা কিংবা ঠান্ডা থেকে গরম যখন পড়ে, সেই সময় মানুষের ওপর প্রভাব ফেলে ইনফ্লুয়েঞ্জা। এই মুহূর্তে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রকোপে অসুস্থতা বৃদ্ধি এবং কাশির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। চিকিৎসকরা বলছেন, গরম আরও একটু বাড়লেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।

করোনার পরে একের পর এক আতঙ্ক
গত দুবছর করোনার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে গোটা দেশ। আর এই ভাইরাসে কয়েক লাখ মানুষের মৃত্যু হয় গোটা বিশ্বজুড়ে। সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পায়নি ভারতও। আর সেই আতঙ্ক ভুলে নতুন করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার চেশঘটা করছে। আর এর মধ্যে অ্যাডিনো ভাইরাস থেকে শুরু করে নয়া এই ইনফ্লুয়েঞ্জা'র প্রকোপ রীতিমত চাপ বাড়াচ্ছে। এই মুহূর্তে বাংলায় তাণ্ডব চালাচ্ছে অ্যাডিনো ভাইরাস। বেসরকারি সূত্রে প্রায় ১০০ এর বেশি শিশুর মৃত্যু হয়েছে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে।












Click it and Unblock the Notifications