Earthquake: এক সপ্তাহে চারবার, ফের ভূমিকম্প! ৬.১ তীব্রতার কম্পনের উৎসস্থল নেপাল, কাঁপল বাংলা-বিহারও
Earthquake: এক সপ্তাহের ব্যবধানে চারবার। ফের গভীর রাতে ভূমিকম্প। শুক্রবার রাত ২টো ৩৬ মিনিটে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল নেপাল (Nepal)। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ৬.১। বিহারের মুজফ্ফরপুর থেকে প্রায় ১৮৯ কিমি উত্তরে অবস্থিত নেপালের বাগমতী এলাকায় ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র। কম্পন অনুভূত হয়েছে বিহার (Bihar) ও উত্তরবঙ্গের (North Bengal) বিস্তীর্ণ অংশেও।
জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিও সায়েন্সেস ভূমিকম্পের তীব্রতা ৫.৬ ছিল বলে জানিয়েছে। ভূগর্ভে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পের উৎসস্থল বলে জানিয়েছে তারা। মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৫.৫। মাঝারি তীব্রতার এরকম ভূমিকম্প উপকেন্দ্রে অল্পবিস্তর ক্ষয়ক্ষতি সাধন করে।

গণেশ নেপালি নামে সিন্ধুপালচক জেলার বরিষ্ঠ এক আধিকারিক জানান, "তীব্র কম্পনের সঙ্গে ঘুম ভেঙে যায়। ঘর থেকে আমরা বেরিয়ে আসি তৎক্ষণাৎ। তবে এখনও কোনও ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর পাইনি।" ভূমিকম্পের জেরে পাটনা, সিকিম ও দার্জিলিংয়ে বহুতল, সিলিং ফ্যান নড়ার ভিডিও ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
বিশ্বের তীব্র ভূমিকম্প প্রবণ এলাকাগুলির মধ্যে অন্যতম নেপাল। কারণ নেপালের তলায় ইউরেশীয় পাতকে প্রতি বছর ৫ সেমি করে দূরে সরিয়ে দেয় ভারতীয় পাত। যার জেরে সংঘর্ষে ভূমিকম্প হয় এই এলাকাগুলিতে। মাটির তলায় টেকটনিক প্লেটগুলির এহেন অবস্থানের কারণে হিমালয়ের কোলে বারবার ভূমিকম্প দেখা দেয়। উপরন্তু নেপালের ভূপৃষ্ঠ তৈরি হয়েছে নতুন শিলা দিয়ে। কাঠমাণ্ডুর মতো শহরগুলিতে অপরিকল্পিতভাবে নগরায়নের ফলেও মাটির উপর চাপ বাড়ছে।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার কাকভোরেই ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে অসম। প্রতিবেশী বাংলাদেশ, মায়ানমার, ভুটান ও চিনের একাধিক এলাকাতেও কম্পন অনুভূত হয়। জানা গিয়েছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৫.০। অসমের মরিগাঁওতে ছিল ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র। তার আগে মঙ্গলবার সাতসকালে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল কলকাতা-সহ আশেপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা।
মঙ্গলবার সকাল ৬টা ১০ মিনিট নাগাদ কম্পন অনুভূত হয় কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশার বিস্তীর্ণ অংশে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ৫.১। ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল বঙ্গোপসাগর। এর আগে সোমবার ভোর ৫টা ৩৬ মিনিটে কেঁপে ওঠে দিল্লি। প্রায় ৫ থেকে ৬ সেকেন্ড ধরে স্থায়ী হয় কম্পন।
কম্পনের সঙ্গে জোরালো আওয়াজও হয় বলে দাবি স্থানীয়দের। ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র ছিল দিল্লির ধৌলাকুঁয়া। রিখটার স্কেলে দিল্লির ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.০। দিল্লিতে ভূমিকম্পের কয়েক ঘণ্টা পর সেদিনই কেঁপে ওঠে বিহারও।












Click it and Unblock the Notifications