কোভিড তীব্রতার মধ্যেও ৫০ শতাংশ মানুষ এখনও মাস্ক পরেন না, জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক
কোভিড তীব্রতার মধ্যেও ৫০ শতাংশ মানুষ এখনও মাস্ক পরেন না, জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক
গত বছর করোনা ভাইরাসের প্রথম ওয়েভের সময় থেকেই মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক বলে নির্দেশিকা জারি করেছিল কেন্দ্র। কিন্তু সংক্রমণ হ্রাস পেতেই এবং নিষেধাজ্ঞা শিথিল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মাস্ক পরার প্রবণতাও কমতে শুরু করে দেয়। এ বছর করোনার দ্বিতীয় ওয়েভ মাথা চাড়া দেওয়ার পর ফের মাস্ক পরা নিয়ে কড়াকড়ি শুরু হয়ে যায় ভারতে। তবে বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে যে সমীক্ষা অনুযায়ী ৫০ শতাংশ মানুষ এখনও মাস্ক পরা থেকে বিরত রয়েছেন এবং ৬৪ শতাংশ মানুষ মাস্ক পরছেন তবে নাক ঢাকছেন না।

সক্রিয় করোনা কেস
বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লভ আগরওয়াল জানান, দেশের আটটি রাজ্যে এক লক্ষের বেশি সক্রিয় করোনা কেস রয়েছে, ৯টি রাজ্যে ৫০ হাজার থেকে এক লক্ষ সক্রিয় কেস এবং ১৯টি রাজ্যে ৫০ হাজারের কম সক্রিয় করোনা কেস রয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, 'কর্নাটক এবং পশ্চিমবঙ্গের মতো কিছু রাজ্যে পজিটিভ হার ২৫ শতাংশের বেশি দেখা দিয়েছে যা বেশ উদ্বেগের।'

করোনা টেস্ট বেড়েছে
স্বাস্থ্য মন্ত্রক এও জানিয়েছে যে ভারত ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে কোভিড -১৯ এর সাপ্তাহিক পরীক্ষায় ধারাবাহিকভাবে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গিয়েছে এবং গত ১২ সপ্তাহে গড়ে প্রতিদিনের পরীক্ষা ২.৩ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। কোভিড-১৯ পজিটিভ কেস গত দশ সপ্তাহ ধরে বৃদ্ধি পাওয়ার পর গত দু'সপ্তাহ ধরে হ্রাস পেতে দেখা গিয়েছে।

পজিটিভ কেসের হার
স্বাস্থ্য মন্ত্রক এও জানিয়েছে, পজিটিভিটি কেসের ক্ষেত্রে ২৯ এপ্রিল থেকে ৫ মে ২১০টি জেলা থেকে ১৩-১৯ মে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০৩ জেলায়। এখানে এও বলা হয়েছে যে সাতটি রাজ্যে ২৫ শতাংশের বেশি পজিটিভ কেস রয়েছে এবং ২২টি জেলায় ১৫ শতাংশের বেশি কেস রয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে সামাজিক দুরত্ব ও সংক্রমণ রুখতে মাস্ক পরার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

কোভিসেল্ফ কিটকে ছাড়পত্র
ইতিমধ্যেই বাড়িতে করোনা টেস্ট করার জন্য কোভিসেল্ফ কিটকে অনুমোদন দিয়েছে আইসিএমআর। ল্যাবে গিয়ে ভিড়ের মধ্যে আর টেস্ট করানোর প্রয়োজন নেই। বরং বাড়িতে বসেই ১৫ মিনিটের মধ্যে র্যাট টেস্টের মাধ্যমে জানতে পারবেন করোনার ফলাফল।












Click it and Unblock the Notifications