দিল্লির পর নাশকতার ছক পাঞ্জাবে? পাক মদতপুষ্ট ৫ অনুপ্রবেশকারীকে খতম করল বিএসএফ
ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে পাঁচ অনুপ্রবেশকারীকে গুলি করে মারল সীমান্তরক্ষী বাহিনী। আজ সকালে পঞ্জাবের তরণ তরণ জেলার খেমকরণ সীমান্তে এই পাঁচজনকে কাঁটাতার পেরোতে দেখতে পায় বিএসএফ। তারপরই এই অনুপ্রবেশকারীদের গুলি করে মারে বিএসএফ জওয়ানরা।

সীমান্তে অনুপ্রবেশকারীদের সঙ্গে বিএসএফ-র গুলির সংঘর্ষ
দিল্লিতে যখন বিস্ফোরক-সহ জঙ্গি গ্রেপ্তার, ঠিক সেদিনই সীমান্তে অনুপ্রবেশকারীদের সঙ্গে বিএসএফ-র গুলির সংঘর্ষ। নিকেশ পাঁচ অনুপ্রবেশকারী। পঞ্জাবের তরণ তারণের খেমকরণ সীমান্তে পাকিস্তানের জিক থেকে ওই পাঁচজন কাঁটাতারের বেড়া টপকে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করছিল। চারিদিক তখন অন্ধকার। ঘড়িতে ৪টে ৪৫ মিনিটের কাছাকাছি। অন্ধকারকে কাজে লাগিয়ে সীমান্তের ওপার থেকে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চলছিল বলে বিএসএফ-এর প্রাথমিক অনুমান।

ঘটনাস্থলেই পাঁচজনের মৃত্যু
বিএসএফ-এর তরফে জানানো হয়েছে, আজ ভোরের দিকে ঝোপের আড়ালে সন্দেহভাজন কিছু নজরে আসে। তখনই ওই এলাকা ঘিরে ফেলে তারা। প্রথমে মাইকে ঘোষণা। তারপর শূন্যে গুলি। অনুপ্রবেশকারীদের রুখতে চেষ্টা করেন বিএসএফ-এর জওয়ানরা। কিন্তু জওয়ানদের সেই সতর্কবাণীকে তোয়াক্কা করেনি তারা। তখনই বাধ্য হয়ে গুলি চালায় বিএসএফ। ঘটনাস্থলেই পাঁচজনের মৃত্যু হয়।

কী উদ্দেশ্যে অনুপ্রবেশ?
এই অনুপ্রবেশকারীরা পাকিস্তানের মদতপুষ্ট কোনও জঙ্গি সংগঠনের সদস্য কি না তা নিশ্চিত করতে পারেনি বিএসএফ। তবে প্রাথমিক তদন্তের পর এটাই অনুমান করা হচ্ছে গোয়েন্দাদের তরফে। কী উদ্দেশ্যে অনুপ্রবেশ, তাও স্পষ্টভাবে জানা যায়নি। এই ঘটনার সঙ্গে কোনও বড়সড় নাশকতার ছক ছিল কি না সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা
দিল্লিতে যখন বিস্ফোরক-সহ জঙ্গি গ্রেফতারির ঘটনা ঘেটেছে, সেদিন এই ঘটনা- এই দুইয়ের মধ্যে কোনও মিল আছে কি না সেটাও খতিয়ে দেখছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের শীর্ষ কর্তা এবং গোয়েন্দারা। ইতিমধ্য়ে দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ সহ উত্তর ভারতে হাই অ্যালার্ট জারি হয়েছে। কাশ্মীরেও বিশেষ নজরদারি চালাচ্ছে সেনা এবং গোয়েন্দারা। কোনও রকম সন্দেহভাজন গতিবিধি দেখলেই সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকশন নিতে বলা হয়েছে সেনাকে।

বেশকিছুদিন ধরেই সীমান্তে অনুপ্রবেশের অভিযোগ
বেশকিছুদিন ধরেই সীমান্তে অনুপ্রবেশের অভিযোগ তুলে আসছিল দিল্লি। যদিও সেই দাবিকে কখনওই মেনে নেয়নি ইসলামাবাদ। উল্টে ভারতীয় সেনা বিনা প্ররোচনায় সীমান্তে যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করছে বলে অভিযোগ করেছিল ইমরান খান প্রশাসন। কিন্তু সীমান্তে অনুপ্রবেশ এবং সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াই দিল্লির সেই অভিযোগকেই আরেকবার স্বীকৃতি দিল বলে মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications