পাঁচ লাখ কর্মী বেকার! উত্তরপ্রদেশ ভোটের আগে অস্বস্তি বাড়িয়ে তোপ বিজেপি সাংসদের
পাঁচ লাখ কর্মী বেকার! উত্তরপ্রদেশ ভোটের আগে অস্বস্তি বাড়িয়ে তোপ বিজেপি সাংসদের
মোদী সরকারের অস্বস্তি বাড়ালেন বরুণ গান্ধী! বেকারত্ব সহ একাধিক ইস্যুতে বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে কার্যত তোপ দলেরই এই সাংসদের। শুধু তাই নয়, কৃষকদের অধিকার নিয়েও কেন্দ্র এবং রাজ্যের ভূমিকা নিয়ে একের পর এক তোপ দেগেছেন। যা নিয়ে চরম অস্বস্তিতে সরকার। যদিও বরুণ গান্ধীর এহেন বক্তব্যের বিরুদ্ধে বিজেপির তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে উত্তরপ্রদেশের চতুর্থ দফার ভোটের আগে খোদ দলের সাংসদের এহেন বক্তব্য ঘিরে অস্বস্তি।

আজ মঙ্গলবার বরুণ দেশজুড়ে বাড়তে থাকা বেকারত্ব এবং বেসরকারিকরণের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে একের পর এক তোপ দেগেছেন। তাঁর টুইটে সাংসদ লিখেছেন, কেবল ব্যাঙ্ক এবং রেলওয়ের বেসরকারিকরণ পাঁচ লাখ কর্মীকে বেকার করে দিয়েছে। বিষয়টিকে 'Forcibly retired' বলেও ব্যাখ্যা বিজেপি সাংসদের। প্রত্যেক চাকরির শেষ মানে একটা স্বপ্নের শেষ বলেও কটাক্ষ তাঁর। জনদরদি একটা সরকার কখনও এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারেনা বলেও মনে করেন বরুণ গান্ধী।
অন্যদিকে গত চারদিন আগেই একই ভাবে মোদী সরকারকেই বিঁধেছিলেন বিজেপি সাংসদ। লোন নিয়ে যে সমস্ত শিল্পপতিরা দেশছাড়া হচ্ছে সে বিষয়ে সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন বরুণ গান্ধী। তিনি লিখেছেন, বিজয় মালিয়া ৯০০০ কোটি, নীরব মোদী ১৪০০০ কোটি, ঋষি আগরওয়াল ২৩০০০ কোটি! আর তা তুলে ধরেন সাংসদের দাবি, লোনের বোঝাত রোজ প্রায় ১৪ জন করে দেশে আত্মহত্যা করছে, আর তখন এই সমস্ত ধনকুবেররা জীবন বৈভবর একেবারে চরম পর্যায়ে রয়েছে। আর সেই সময় একটা মজবুত সরকারের উচিৎ এই বিষয়ে মজবুত ব্যবস্থা নেওয়ার। একের পর এহেন সমালোচনা তাও আবার কিনা দলের বিরুদ্ধে যা রীতিমত অস্বস্তিতে ফেলে দিয়েছে বিজেপি সরকার।
বলে রাখা প্রয়োজন বর্তমানে উত্তরপ্রদেশের পিলিভিট লোকসভা থেকে বিজেপি সাংসদ বরুণ। এমনকি মা মেনকা গান্ধীও উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকেই সাংসদ। গত কয়েকমাস ধরেই বিজেপির বিরুদ্ধেই বিদ্রোহী মনোভাব দেখা গিয়েছে বরুণ গান্ধীর। ক্রমশ দলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছে তাঁর। একাধিক বিষয়ে সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। এমনকি দলের বিরুদ্ধেও তোপ দেগেছেন। আর তাতেই নয়া সংজজন এই টুইট।
অন্যদিকে উত্তরপ্রদেশে যেখানে বিধানসভা নির্বাচন চলছে সেখানে দাঁড়িয়ে একদিনও দলের হয়ে প্রচারে নামেননি তিনি। যা আরও বিজেপিকে অস্বস্তি বাড়িয়েছে। যদিও বিজেপির একটা অংশের দাবি বিদ্রোহী সাংসদের এহেন মন্তব্যে ভোটে কোনও প্রভাব পড়বে না। বরং এবার উত্তরপ্রদেশে ব্যাপক ভোটে জয় লাভ করবে বলে দাবি বিজেপির।












Click it and Unblock the Notifications