দেশে জিনোম সিকোয়েন্সিং পরীক্ষার ৫ ল্যাব বন্ধ, কোন ঘাটতির জেরে বন্ধ হল ল্যাবগুলি?

দেশে জিনোম সিকোয়েন্সিং পরীক্ষার ৫ ল্যাব বন্ধ

সুনামির মতন করে ছড়িয়ে পড়ছে করোনা সংক্রমণ। রেহাই মিলছে না করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের হাত থেকে। স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্র অনুয়ায়ী জানা গিয়েছে, করোনা রোগীদের জিনোম সিকোয়েন্সিং পরীক্ষাগুলিতে যথেষ্ট দেরি হচ্ছে। সব ক্ষেত্রে ভাইরাসের স্ট্রেন শনাক্ত করতে দেরি হচ্ছে। রাসায়নিক বিকারকগুলির তহবিলের অভাবের কারণেই এমনটা ঘটছে।

দেশে জিনোম সিকোয়েন্সিং পরীক্ষার ৫ ল্যাব বন্ধ, কোন ঘাটতির জেরে বন্ধ হল ল্যাবগুলি?


সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, যেসকল ল্যাব জিনোম সিকোয়েন্সিং পরীক্ষার প্রধান দায়িত্বে রয়েছে সেই সকল ল্যাব গুলি বন্ধ হয়ে গেছে। ৩৮ জনের একটি নেটওয়ার্ক যা জিনোম সিকোয়েন্সিং পরীক্ষার প্রধান দায়িত্বপ্রাপ্ত সেগুলি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ভারতে মোট ৫ টি ল্যাব বন্ধ হয়েছে। কারণ, রাসায়নিক বিকারের অভাবে।

সূত্র মারফত আরও জানা গিয়েছে, সরকার বেশি করে ওমিক্রন কেস শনাক্ত করার চেষ্টা করছে। কিন্তু রাসায়নিক বিকারকগুলির অভাবের কারণে তা দেরি হচ্ছে আর এতে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।

নতুন বছরের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী একটি সভায় করোনা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার জন্য একটি সভায় জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের গুরুত্বের উপর জোর দেওয়ার কথা বলেছিলেন। নরেন্দ্র মোদী সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মান্ডাভিয়া ও উঁচুপদের সরকারি আধিকারিকদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন ,ওমিক্রন ভাইরাসটি ক্রমশই তার প্রভাব বিস্তার করছে। তাই জিনোম সিকোয়েন্সিং-সহ অন্যান্য বৈজ্ঞানিক গবেষণার প্রয়োজন আছে।

যদি দেখা গেছে, ডিসেম্বর মাসের তুলনায় বেশি সংক্রমিত হয়ে উঠেছে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট। তৃতীয় ঢেউয়ে যথেষ্ট প্রভাবিত করছে ভারতকে। কিন্তু তার মধ্যে ৪০% মানুষ নয়া প্রজাতির কম পরীক্ষা করেছে। প্রথম রিপোর্ট পাওয়ার পর দেখা গেছে প্রায় ২৫,০০০ মানুষ জিনোম সিকোয়েন্স পরীক্ষা করেছেন। নভেম্বর মাস থেকে এখন পর্যন্ত মানুষ ১.৬ লক্ষের বেশি মানুষ জিনোম সিকোয়েন্সের পরীক্ষা করেছেন।

করোনার টাস্ক ফোর্সের প্রধান ডক্টর ভি কে পল ডিসেম্বর মাসে জানিয়েছিলেন, প্রতিটি করোনা রোগীর জিনোম সিকোয়েন্সিং পরীক্ষা করা সম্ভব নয়।

মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ টোপে জানান, করোনায় নতুন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত ব্যক্তিদের আরও ভালো চিকিৎসার প্রয়োজন।

জিনোম সিকোয়েন্সিং আসলে হল একটি জীবের জিনোমের DNA সিকোয়েন্স। যা তার সম্পূর্ণ জেনেটিক তথ্য সম্পর্কে জানা যাবে। করোনার প্রজাতি শনাক্ত করতে ও জৈবিক বিবর্তন পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভাবে কাজ করে।

ভারতে মে মাসের পর বৃহস্পতিবার ২৪ ঘণ্টায় ৩ লাখের বেশি আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। যার মধ্যে ২,৭০০ এর বেশি ওমিক্রন আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+