ফরিদাবাদে ৩৫০ কেজি বিস্ফোরক ও AK 47 উদ্ধার, ২ কাশ্মীরি ডাক্তারের কি যোগসাজশ রয়েছে জঙ্গি চক্রের সঙ্গে? জানুন
জম্মু কাশ্মীর পুলিশের গোয়েন্দা অভিযানে ফের বড়সড় সাফল্য মিলল। গ্রেপ্তার হওয়া কাশ্মীরি ডাক্তার আদিল আহমেদের জিজ্ঞাসাবাদে সূত্র মিলতেই ফরিদাবাদের আল ফালাহ হাসপাতালের একটি চত্বর থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় ৩০০ থেকে ৩৫০ কিলোগ্রাম শক্তিশালী বিস্ফোরক সম্ভবত আরডিএএক্স, একাধিক AK47 রাইফেল এবং বিপুল পরিমাণ গুলি ও গোলাবারুদ। অভিযানে সহযোগিতা করে হরিয়ানা পুলিশও।
এর আগে আনন্তনাগের সরকারি মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষক ড. আদিলের লকার থেকেই প্রথম একটি AK47 ও বেশ কিছু কার্তুজ উদ্ধার হয়। সেই সূত্রেই উঠে আসে আরেক চিকিৎসকের নাম পুলওয়ারার বাসিন্দা ড. মুজামল শাকিল। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই দুই চিকিৎসকই অস্ত্র ও বিস্ফোরক মজুত ও পরিবহনে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছেন।

জঙ্গি সংগঠন জইশ ই মহম্মদ ও গাজওয়াত উল হিন্দ এর সঙ্গে যোগাযোগের প্রমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ফারিদাবাদকে সেফ স্টোরেজ পয়েন্ট বা অস্ত্র লুকোনোর জায়গা হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা। চিকিৎসা ক্ষেত্রের কিছু ব্যক্তিকেও নজরে রাখা হয়েছে, জঙ্গি নেটওয়ার্কে চিকিৎসকদের জড়িত থাকা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
জঙ্গিদের সম্ভাব্য শীতকালীন ঢোকার রুট চিহ্নিত করতে রবিবার থেকে রাজৌরি, ডোডা, কিশ্তওয়ার, রামবান, রিয়াসি, পুঞ্চ ও কাঠুয়ার বহু এলাকায় তল্লাশি চলছে। ইতিমধ্যে নয় জনকে আটক করা হয়েছে, যার মধ্যে এক নারীও রয়েছেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন 7/25 ও UAPA এর 13, 28, 38 ও 39 ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
গোয়েন্দাদের বক্তব্য অস্ত্রগুলি কোথায়, কখন এমনকি কোন ধরনের হামলায় ব্যবহার হওয়ার পরিকল্পনা ছিল, তা জানাই এখন তদন্তের মূল লক্ষ্য। পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলেও গোটা নেটওয়ার্ক ভাঙতে আরও গ্রেপ্তারের সম্ভাবনা রয়েছে বলে সূত্রের দাবি।












Click it and Unblock the Notifications