খোঁজ মিলছে না করোনা আক্রান্ত দেশ থেকে ফেরা ৩৫০ জনের! গম্ভীর হচ্ছে পরিস্থিতি
করোনা ভাইরাস আক্রান্ত দেশ থেকে ভারতে এসেছেন। তবে কোনও সক্রিনিং ছাড়াই তারা দেশে ঢুকেছে। তাদের খোঁজও এখনও মেলেনি। এমনই আঙ্কাবাণী শোনাল পাঞ্জাব সরকার। প্রসঙ্গত, সারা বিশ্বে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ দেখা দিতেই আতঙ্কে ভুগতে শুরু করেছে সাধারণ মানুষ। আর এই আবহে পাঞ্জাব সরকারের এহেন স্বীকারোক্তি স্বভাবতই চিন্তায় ফেলে দিয়েছে উত্তর ভারত সহ পুরো দেশকে।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে দুই জনের মৃত্যু ভারতে!
করোনা ভাইারসে আক্রান্ত হয়ে ইতিমধ্যেই দেশে মারা গিয়েছেন দুই জন। শুক্রবার রাতেই দিল্লিতে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে। কয়েকদিন তাঁর ছেলে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত দেশ থেকে ভারতে ফেরে। এদিকে কর্নাটকে সৌদি ফেরত এক ব্যক্তির মৃত্যু হয় কয়েকদিন আগে। দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সেটাই প্রথম মৃত্যু।

করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে আসা ৩০ জনের খোঁজ নেই
এদিকে পাঞ্জাব সরকারের পাশাপাশি কর্নাটক সরকারও এরম আশঙ্কাবাণী শুনিয়েছে ইতিমধ্যেই। যার জেরে কার্যত লকডাউনে চলে গিয়েছএ বেঙ্গালুরু সহ গোটা রাজ্য। কর্নাটক সরকার জনায়, করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা ৩০ জনের খোঁজ পাচ্ছে না সরকার। যদিও অতি শীঘ্রই তাদের শরীরে করোনা ভাইরাস রয়েছে কি না তা পরীক্ষা করা দরকার।

মহারাষ্ট্রে ৪ জন করোনা আক্রান্ত হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়েছে
ক্রমেই ভয়ংকর আকার নিচ্ছে করোনাভাইরাস। চিনের থেকেও চিনের বাইরে ১৭ গুণ বেশি হারে ছড়াচ্ছে এই রোগ। করোনা থাবা বসিয়েছে ভারতেও। বিশ্বজুড়ে এই সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৫৫০০ জনের। ভারতে আক্রান্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০-র বেশি। মহারাষ্ট্রে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৬। এর মধ্যে নাগপুরে চার করোনা আক্রান্ত আবার নাকি পালিয়েছে।

লকডাউনে দেশর রাজ্যগুলি!
এই সব উদ্বেগের মাঝেই ২২ মার্চ পর্যন্ত দিল্লির সমস্ত স্কুল,কলেজ-সহ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল যোগী রাজ্য। যদিও রাজ্যকে উদ্বিগ্ন হতে বারণ করেছেন তিনি। সেই সঙ্গে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন যোগী আদিত্যনাথ। এদিন তিনি রাজ্যের বাসিন্দাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আতঙ্ককে না বলে সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ তিনি দিয়েছেন। পাশাপাশি মহারাষ্ট্রের ৬টি শহরেও জন সমাগমের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। একই নিষেধাজ্ঞা কর্নাটকেও।












Click it and Unblock the Notifications