৩৪ মহিলার উপর যৌন নির্যাতন হয়েছিল হোমের অন্ধকারে! সিবিআই ফাঁসে নীতীশও
বিহারে মুজফফরপুরের একটি সরকারি হোমে আবাসিকদের যৌন নিগ্রহের ঘটনায় লোকসভার আগে ফের সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিহারে মুজফফরপুরের একটি সরকারি হোমে আবাসিকদের যৌন নিগ্রহের ঘটনায় লোকসভার আগে ফের সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের নির্দেশ মেনে এই তদন্ত শুরু হওয়ার আগেই চাপে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। কিন্তু এই ঘটনায় তিনি জড়ালেন কীভাবে? তা নিয়েই এখন জোর আলোচনা।

বিহারের মুজাফফরপুরের সরকারি হোমে ৩২ জন মহিলা আবাসিকের উপর যৌন নিগ্রহের ঘটনায় নাম জড়ায় প্রভাবশালী ব্যক্তির। এমনকী রাজ্যের সমাজকল্যাণমন্ত্রী কুমারী মঞ্জু বর্মার নাম জড়িযে যায়। যার ফলে নীতীশ মন্ত্রিসভার এই সদস্যকে ইস্তফা পর্যন্ত দিতে হয়। ফের সিবিআই তদন্ত শুরু হওয়ায় প্রভাবশালীদের জেরার মুখে পড়তে হবে, তাতেই নীতীশ সরকারের অস্বস্তি বাড়তে পারে।
এদিকে বিহারের মহিলা কমিশনের প্রধান দিলমণি মিশ্র হোম পরিদর্শনে গিয়ে যে ছবি দেখে আসেন হোমের, তাতে চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যাওয়ার জোগাড়। তিনি বলেন, মেয়েদের যেখানে রাখা হত, তা গুদাম ঘরের মতো। ঘরে হাওয়া প্রবেশ করে না। সেখানে যে ওষুধ পাওয়া গিয়েছে, তা খারাপ কাজে ব্যবহার হত বলেই মনে হয়। কয়েকজন মেয়ে ছবি দেখে একজনকে চিহ্নিতও করে।

তদন্ত সাপেক্ষে য়ে সব তথ্য সামনে এসেছে, তা ভয়াবহ ও ভয়ঙ্কর। মন্ত্রীর নাম জড়ানো থেকে, মন্ত্রীর স্বামীর সন্ধান পেতে বিলম্ব, হোমের মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ সামনে আসা, নীতীশ সরকারকে অস্বস্তিতে ফেলার পক্ষে যথেষ্ট ছিল। তারপর আদালতের পর্যবেক্ষণে সিবিআই তদন্ত এবং শীর্ষ আদালতের বেঞ্চ যে ভাষায় ভর্ৎসনা করে, তাও নীতীশ সরকারের পক্ষে হতাশাব্যাঞ্জক।
উল্লেখ্য, ওই আবাসিক হোমে ৩৪ জন মহিলার উপর যৌন নিগ্রহের ঘটনা প্রথম প্রকাশ্যে আসে সমাজ কল্যাণ দফতরের টাটা ইনস্টিটিউট অব সোশ্যাল সায়েন্সের অডিট রিপোর্টে। ৪২-এর মধ্যে ৩৪ জন মহিলার উপর যৌন অত্যাচার মেডিকেল রিপোর্টেও প্রমাণিত। এরপরই অভিযোগ দায়ের এবং একে একে বড় নাম সামনে আসা।












Click it and Unblock the Notifications