করোনা টেস্ট কিটের সমস্যা মিটতে ছলেছে শীঘ্রই! কোভিড-১৯ লড়াইয়ের জন্য তৈরি ভারত
দেশে করোনা ভাইরাস শনাক্ত করতে প্রায় ২০০টি টেস্ট ল্যাব তৈরি করা হয়েছে। তবে টেস্ট ল্যাব তৈরি করলেই তো হবে না। সেই ল্যাবে প্রয়োজন পর্যাপ্ত টেস্ট কিট। তবেই করোনা যুদ্ধের প্রথম ধাপে এগোতে পারবে ভারত। তবে সেই প্রথম ধাপ পেরোতেই প্রচুর বেগ পেতে হচ্ছে ভারতকে। কারণ দেশে করোনা টেস্ট কিটের অভাব।

কী অসুবিধা হচ্ছিল এতদিন?
জানা গিয়েছে, করোনা টেস্ট করার জন্য যেই ১২৩টি সরকারি কেন্দ্র রয়েছে সেগুলি মাত্র নিজেদের কর্মক্ষমতার ৩৬ শতাংশ পূর্ণ করছে। এছাড়া দেশে যেই ৪৯টি বেসরকারি কেন্দ্রকে করোনা পরীক্ষার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, তাদের কাছেও করোনা ভাইরাস শনাক্ত করার প্রয়োজনীয় টেস্ট কিট নেই।

আমেরিকা, ইতালি, স্পেনের অনেক পরে লাইনে ছিল ভারত
এই বিষয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রগুলির পক্ষে বলা হচ্ছে, 'আমেরিকা, ইতালি, স্পেনেই সব কিট চলে যাচ্ছে। পরিস্থিতির গুরুতর বলে ব্রিটেনও ভারতের আগে টেস্ট কিট পাচ্ছে। উৎপাদনকারী সংস্থাকে এই নিয়ে জিজ্ঞাসা করলে তারা বলছে যে ভারতকে এখনই টেস্ট কিট দেওয়া যাবে না। সময় লাগবে।'

৩৩ লক্ষ টেস্ট কিট পেতে চলেছে ভারত
তবে এরই মধ্যে টেস্ট কিট নিয়ে সুখবর শোনাল আইসিএমআর। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে রমন গঙ্গাখেদকর বলেন, 'আমরা গতকাল জানিয়েছিলাম যে দেশে আর ছয় সপ্তাহ চলার মতো টেস্ট কিট রয়েছে। তবে আমরা এবার ৩৩ লক্ষ টেস্ট কিট পেতে চলেছি। যেকোনও মুহূর্তে সেগুলি দেশে এসে পৌঁছাবে। এছাড়া আমরা আরও ৩৭ লক্ষ ব়্যাপিড টেস্ট কিট অর্ডার করেছি। সেগুলিও শীঘ্র চলে আসবে।'

এখনও পর্যন্ত দেশে ২ লক্ষ ৩১ হাজার নমুনার করোনা পরীক্ষা
এদিন আইসিএমআর আধিকারিক রমন গঙ্গাখেদকর আরও জানান, সোমবার পর্যন্ত দেশে মোট ২ লক্ষ ৩১ হাজার ৯০২টি করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। গত ১৪ দিনেই প্রায় ২ লক্ষ টেস্ট করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মার্চ পর্যন্ত এই পরীক্ষআর হার ছিল খুব কম
৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশে মাত্র ৪২,৭৮৮ জনের উপর করোনা পরীক্ষা করা সম্ভব হয়েছিল। আমেরিকার তুলনায় সংখ্যাটা ১৩ ভাগের ১ ভাগ। যা প্রয়োজনের থেকে খুবই কম। এদিকে যেই হারে দেশে করোনা ছড়িয়ে পড়ছে তাতে করোনা টেস্ট যদি আরও বেশি করে করা না হয় তবে আসল আক্রান্তদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে না। এর জেরে দেশে করোনা সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়বে।

পর্যাপ্ত টেস্ট কিট না থাকায় হচ্ছিল সমস্যা
পর্যাপ্ত টেস্ট কিট না থাকায় দেশে করোনা পরীক্ষাও করা যাচ্ছিল না ঠিক মতো। যার জেরে দেশে আসল আক্রান্তের সংখ্যার কোনও সঠিক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। উপসর্গ থাকলে আপাতত আইসোলেশনে পাঠানো হচ্ছে। পরবর্তীতে পরিস্থিতি গুরুতর হলে তবেই পরীক্ষা করা হচ্ছে সেই রোগীকে।












Click it and Unblock the Notifications