করোনা লকডাউনে থমকে অর্থনীতি, খোঁজ নেই কেন্দ্রের বকেয়া তিন লক্ষ কোটি টাকার! ক্ষুব্ধ রাজ্যগুলি
খোঁজ নেই কেন্দ্রের বকেয়া তিল লক্ষ কোটি টাকার! ক্ষুব্ধ রাজ্যগুলি
করোনা সঙ্কটে একটানা লকডাউনের জেরের ক্রমেই ভেঙে পড়ছে দেশে অর্থনীতি। মন্দা দেখা দিয়েছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে। বেকারত্বও বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক সমীক্ষার রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে এই দুর্দিনে অর্ধাহারে রয়েছেন প্রায় ৪৪ শতাংশ মানুষ। কাজ হারিয়েছেন দু কোটি।

করোনার জেরে দেশে স্তব্ধ অর্থনীতি। এই অবস্থায় শিল্পের প্রয়োজন জরুরি ভিত্তিতে একটি উদ্দীপনা বা বুস্ট। তবে এমন সময়তেই রাজ্য সরকারগুলি কেন্দ্র ও কেন্দ্রের অধীনে থাকা বিভিন্ন সংস্থাগুলির কাছ থেকে তিন লক্ষ কোটি টাকা পায়। তবে বকেয়া এই টাকা কেন্দ্রের কাছে কবে পাবে রাজ্যগুলি? তা কেউ বলতে পারছে না।
আয়কর, জিএসটি, বিভিন্ন ক্ষতিপূরণ সহ বেশ কয়েকটি খাতে এই টাকা রাজ্যগুলির কাছে বকেয়া রয়েছে কেন্দ্রের। যেমন কেন্দ্রের অধীনে থাকা ন্যাশন্যাল হাইওয়ে অথরিটি অফ ইণ্ডিয়ার থেকেই বিভিন্ন রাজ্য প্রায় ১৮ থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা পায়নি এখনও। পাশাপাশি টেলিকম সংস্থা গুলির প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার জিএসটি রিফান্ড বাকী রয়েছে।
এছাড়া শিল্প খাতে ও রাজ্য গুলি ক্ষেত্রে আয়কর, ভ্যালু অ্যাডেড ট্যাক্স এবং পণ্য ও পরিষেবাদি কর(জিএসটি) ফেরত এবং ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে ব্যাপক ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। কেন্দ্রের কাছে বারবার এই বকেয়া চেয়ে এসেছে রাজ্যগুলি। এই বিষয়ে বেশ সরব হয়েছিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
এর আগে জরুরি ভিত্তি দেশের শিল্প ক্ষেত্রগুলির হাল ফেরাতে বেশ কয়েকটি প্যাকেজ ঘওষণা করেছিল কেন্দ্র ও আরবিআই। এরপরও অর্থনীতির বেহাল দশার কথা মাথায় রেখে সংকটে পড়া শিল্পগুলিকে অক্সিজেন জোগাতে শনিবার দফায় দফায় বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। জানা গিয়েছে বৈঠকে ক্ষুদ্র, মাঝারি ও ছোটো শিল্প ছাড়াও কৃষিক্ষেত্র নিয়েও আলোচনা হয় এদিন। তবে এসব করা হলেও রাজ্যগুলি তাদের বকেয়া কত পাবে কেন্দ্র থেকে, তা নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।












Click it and Unblock the Notifications