পাঞ্জাবে গভীর হচ্ছে সংকট, সিধুর সমর্থনে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ ৩ কংগ্রেস নেতার
পাঞ্জাবে গভীর হচ্ছে সংকট, সিধুর সমর্থনে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ ৩ কংগ্রেস নেতার
সিধুর সমর্থনে পাঞ্জাবের মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করলেন ৩ মন্ত্রী। পাঞ্জাবে আরও গভীর হচ্ছে রাজনৈতিক সংকট। রাজিয়া সুলতনা, যোগিন্দর ধিংড়া, গুলজার ইন্দর চাহাল তিন মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন তিনি। ভোটের আগে একের পর এক নেতারএই ভাবে পদ ছাড়ার সিদ্ধান্তে গভীর সংকট তৈরি হয়েছে পাঞ্জাবে। এদিকে আবার অমরিন্দর সিংয়ের বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে।

৩ নেতার পদত্যাগ
একে একে বিদ্রোহ, দ্বন্দ্ব প্রকট হচ্ছে পাঞ্জাবে। ভোটের আগেই অমরিন্দরের সঙ্গে সিধুর বিবাদ। তারপরেই অমরিন্দরের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত। তার দিন কয়েক েযতে না যেতেই পাঞ্জাব কংগ্রেসের প্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন নভজ্যোত সিং সিধু। ঠিক সেদিনই সিধুর সমর্থনে পাঞ্জাবের মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন ৩ মন্ত্রী। রাজিয়া সুলতানা, যোগিন্দর ধিংড়া, গুলজার ইন্দর চাহাল। তিনমন্ত্রী একসঙ্গে পদত্যাগ করায় পাঞ্জাবে কংগ্রেসের সংকট বাড়তে শুরু করেছে।

পাঞ্জাব কংগ্রেসে দ্বন্দ্ব প্রকট
নভজ্যোৎ সিং সিধুকে বিজেপি থেকে কংগ্রেসে নেওয়ার পর থেকেই অমরিন্দর অসন্তুষ্ট ছিলেন। টুইটে অমরিন্দরকে কটু ভাষায় আক্রমণও করেছিলেন সিধু। প্রথম থেকেই তাঁদের মধ্যে বিরোধ ছিল চরমে। ভোট এগিয়ে আসতেই সিধুকে গুরুত্ব দিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদে বসানো হয়। তার প্রবল বিরোধিতা করেছিলেন অমরিন্দর সিং। তারপরেই অমরিন্দরের বিরোধিতা শুরু হয় কংগ্রেসে। নেপথ্যে সিধুর হাত ছিল বলে অভিযোগ উঠতে শুরু করেছিল। শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে সরতে বাধ্য হয় পান অমরিন্দর সিং।

সিধুর পদত্যাগ
অমরিন্দর সিং মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে সরে আসার পর কংগ্রেসের অন্দরে প্রবল টানা পোড়েন শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত এক প্রকার হঠাৎ করেই মঙ্গলবার পদত্যাগ পাঞ্জাবের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দেন নভজ্যোত সিং সিধু। কংগ্রেসে যাকে বলে হইচই পড়ে গিয়েছিল। সিধুর অনুগামী নেতারাও চমকে উঠেছিলেন। িসধুর পদত্যাগের পরেই পর পর ৩ মন্ত্রী পাঞ্জাবের মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন। আরও সংকট তৈরি হয়েছে সেখানে। িসধুর পদত্যাগের পরেই অমরিন্দর টুইটে লিখেছেন, আগেই সতর্ক করেছিলাম পাঞ্জাবের মত রাজ্য সামাল দিতে পারবে না সিধু।

অমরিন্দরের বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা
মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পরেই বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগের পর জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে। তারপরে আবার দিল্লিতে গিয়েছিলেন তিনি। তারপরে ক্যাপ্টেনের বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা আরও পারদ চড়েছে। যদিও ক্যাপ্টেন নিজে দাবি করেছেন তিনি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন না।












Click it and Unblock the Notifications