বিনোদ রাইয়ের ক্যাগ রিপোর্টের ভিত্তিতে ২জি স্পেকট্রাম দুর্নীতি সামনে আসে, চেনেন এই মানুষটিকে
এই অভিযোগ প্রথম সামনে আনে টেলিকম ক্ষেত্রের বিষয়গুলি নজরে রাখা এক স্বেচ্ছ্বাসেবি সংস্থা। পরে মামলার ভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। সেক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেলের দেওয়া নথি
২জি স্পেকট্রাম মামলায় আদালত এদিন রায় ঘোষণা করেছে। সিবিআইয়ের আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। আর সেজন্যই ডি রাজা, কানিমোঝি সহ সমস্ত অভিযুক্তদের বেকসুর খালাস করে দিয়েছেন পাতিয়ালা হাউসের বিচারক ওপি সাইনি। তবে এই মামলার গুরুত্ব ভারতীয় রাজনীতিতে গত একদশকে সবচেয়ে বড় আলোড়ন তৈরি করেছে। মামলার রায়ে অভিযুক্তরা বেকসুর খালাস পেয়ে গেলেও মামলার গুরুত্ব মোটেও কমছে না।

এই অভিযোগ প্রথম সামনে আনে টেলিকম ক্ষেত্রের বিষয়গুলি নজরে রাখা এক স্বেচ্ছ্বাসেবি সংস্থা। পরে মামলার ভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। সেক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেলের দেওয়া তথ্য। সেইসময়ে এই সংস্থার শীর্ষে ছিলেন বিনোদ রাই। এই সরকারি আধিকারিক সারাজীবন দুর্নীতি প্রসঙ্গে কঠোর মনোভাব দেখিয়েছেন।
ভারতে যেকয়েকজন অফিসার বা আমলা দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার-বিরোধী না দেখে নিজের কাজ করে গিয়েছেন, বিনোদ রাই তাঁদের পুরোধা। ভারতে দুর্নীতি বিরোধী মুখের অন্যতম বলে বিনোদ রাইকে বিবেচনা করে বিশ্বের অন্য দেশের সংবাদমাধ্যমও।
২০০৮-০৯ সালে ক্যাগ বিনোদ রাইয়ের নেতৃত্বে যে রিপোর্ট দেয় তাতে প্রথম ইউপিএ সরকারের ১ লক্ষ ৭৬ হাজার কোটি টাকার লোকসানের হিসাব ছিল। তার ভিত্তিতে তিনটি চার্জশিট তৈরি হয় ও ডি রাজা, কানিমোঝি সহ বিভিন্ন সংস্থার আধিকারিকদের অভিযুক্ত করা হয়।
সেই রিপোর্টের ভিত্ততেই ১২২টি ২জি লাইসেন্স বাতিল করে সুপ্রিম কোর্ট। ডি রাজা ও কানিমোঝি গ্রেফতার হন। অভিযোগ ছিল, কিছু কোম্পানিকে অবৈধভাবে সুবিধা পাইয়ে দিতে ডি রাজা সরকারি টাকা লোকসান ও নয়ছয় করেছেন, নিজের পকেট ভরেছেন।
তবে এদিন ডি রাজা সহ সকলে ছাড়া পেয়ে যাওয়ায় বিনোদ রাইয়ের রিপোর্ট প্রশ্নের মুখে পড়ে গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications