রাঁচির লজ থেকে উদ্ধার ২৭টি তাজা বোমা

২৭ অক্টোবর ধারাবাহিক বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল পাটনা। সেই ঘটনায় অন্যতম প্রধান সন্দেহভাজন হায়দার আলিকে রাঁচির ওই এলাকায় দেখতে পাওয়া যায়। এর পরই ঝাড়খন্ড পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে এলাকায় তল্লাশি চালায় এনআইএ। ওই বোমাগুলিতে টাইমার লাগানো ছিল। এই বোমাগুলির সঙ্গে পাটনা বিস্ফোরণে ব্যবহৃত বোমাগুলির মিল রয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশসূত্রের খবর, মোরাহবাদী মাঠে নিয়ে গিয়ে বোমাগুলি নিস্ক্রিয় করার কাজ করা হয়। গভীর রাত পর্যন্ত বোমা নিস্ক্রিয় করার কাজ চলে। এই একই ধরণের বোমা বোধগয়া বিস্ফোরণের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনায় চারজনকে আটক করলেও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রাঁচি থেকে যে বোমাগুলি পাওয়া গিয়েছে তা দিয়ে বড়সড় কোনও বিস্ফোরণের ছক কষেছিল দুষ্কৃতীরা। এই বোমাগুলির সঙ্গে পাটনা বিস্ফোরণে ব্যবহৃত বোমাগুলির মিল থাকলেও এই ঘটনার সঙ্গে পাটনা বিস্ফোরণ কান্ডের কোনও যোগাযোগ রয়েছে কি না তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পাটনা বিস্ফোরণ কান্ডের অন্যতম মূল সন্দেহভাজন হায়ার আলি তহসিন আখতারের ঘনিষ্ঠ বলেই জানিয়েছেন তদন্তকারী অফিসাররা। তহসিন আখতারের থেকে নির্দেশ নিয়ে দলের অন্যান্য সঙ্গীদের সেই নির্দেশ পৌছে দেওয়াই হায়দারের কাজ। গত সপ্তাহে ঝাড়খন্ডের একটি গ্রামে তল্লাশি অভিযান চালানোর সময় হায়দারের খোঁজ পায় পুলিশ। কিন্তু পুলিসের পৌছনোর আগেই সেখান থেকে পালিয়ে যায় হায়দার।












Click it and Unblock the Notifications