১০০ কোটির মাইলস্টোন পার করেও কমেনি উদ্বেগ! ২৫ কোটির ভ্যাকসিনেশন নিয়ে চিন্তায় মোদী সরকার
২০২০ সালে যখন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনাকে অতিমারী হিসাবে ঘোষণা করেছিল তখন এর থেকে মুক্তির দিশা খুঁজতে তৎপর হয়ে উঠেছিলেন গবেষকরা। পরবর্তীতে দেখা যায়, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রনে রাখতে ভ্যাকসিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভ
২০২০ সালে যখন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনাকে অতিমারী হিসাবে ঘোষণা করেছিল তখন এর থেকে মুক্তির দিশা খুঁজতে তৎপর হয়ে উঠেছিলেন গবেষকরা। পরবর্তীতে দেখা যায়, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রনে রাখতে ভ্যাকসিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নেয়। ভারতে টিকাকরণের প্রায় ১০ মাস অতিক্রান্ত।

যদিও কিছুদিন আগেই ১০০ কোটির মাইলফলক পার করেছে ভারত। তবে এখনও প্রায় ২৫ কোটি সাধারন মানুষের ভ্যাকসিন নেওয়া বাকি। এমনটাই বলছে পরিসংখ্যান।
ভারত সত্যিই ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে প্রথম থেকেই ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। কয়েকমাসের মধ্যেই ভ্যাকসিন উৎপাদনের কাজ শুরু করে নজির গড়ে ভারত। অনেক চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও প্রায় ১৩০ কোটির ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হয়েছে। বিশ্বের নিরিখে এটি একটা নজিরবিহীন ঘটনা বলে দাবি গবেষকদের। আর এই কারনেই অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমছে। বিশেষত ইউরোপে যা অবস্থা, সেই তুলনায় ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটাই কম।
যে কোনও দেশ মুলত দুটি বিষয়ের উপর গুরুত্ব দেয়। প্রথমটি হল হার্ড ইমুনিটি। ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ টিকাকরণ হলে তবেই হার্ড ইমিউনিটি হয়েছে বলা চলে। আর দ্বিতীয়টি হল করোনা ভাইরাসের রুপ কীভাবে পাল্টাচ্ছে তা নজর রাখা। যদিও ভারতে বিপুল সংখ্যায় মানুষ করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে টিকার একটি ডোজ নিয়েছেন। তবে মোট জনসংখ্যার অনেকেরই টিকাকরণ এখনও বাকি। ভারতের জনসংখ্যার একটা বিশাল অংশ হল অপ্রাপ্তবয়স্ক।
ভারতের মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশের বয়স ১৯ এর নীচে। ৩৫ শতাংশের বয়স ১৪ বছরের নীচে। আর ১০ শতাংশের বয়স ১৫ থেকে ১৯ বছরের মধ্যে। আর তাই গোটা বিশ্বের মধ্যে কিশোর বয়সের আধিক্য সবথেকে বেশি ভারতে। আর সেই সংখ্যাটি হল ২৫ কোটি কিংবা ২৩৫ মিলিয়ন। ভারতে প্রত্যেক পাঁচজনের মধ্যে একজনের বয়স ১০ থেকে ১৯ এর মধ্যে। সবথেকে বড় কথা শিশুদের ক্ষেত্রে সংক্রমণের ভয় অনেক বেশী।
কারন তাঁদের শরীরে ভাইরাস আছে কিনা তা সহজে ধরা যায় না। ফলে শিশুদের থেকে বয়স্কদের মধ্যে করোনার ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। অনেকেই বলছেন, শিশুরা কেরিয়ার হিসাবে কাজ করে। ফলে এই বিষয়ে সাবধান থাকাটা খুব জরুরি।
ভারতে যখন করোনার দনিতিয় ঢেউ আছড়ে পড়ে তখন ভারত সেভাবে প্রস্তুত ছিল না। আর সেই দ্বিতীয় ঢেউতে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তবে সবথেকে উল্লেযোগ্য বিষয় হল, করোনার প্রথম ঢেউয়ের তুলনায় অল্প বয়সীদের আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা অনেক বেশি ছিল।
চলতি বছরের মার্চ-এপ্রিল মাসে শিশুদের মধ্যে করোনা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশী ছিল। অনেক ক্ষেত্রেই তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল। এরই মধ্যে বিভিন্ন জায়গাতে স্কুল খুলতে শুরু করেছে। সেই সঙ্গে শিশুদের টিকাকরণের প্র্যজনিয়াও অনেকটাই বেড়েছে। এমনটাই মত ওয়াকিবিহালমহলের।












Click it and Unblock the Notifications