'২৫ বছর বয়সের নারীরা...'! মহিলাদের নিয়ে অশালীন মন্তব্য অনিরুদ্ধাচার্যের, দায়ের মামলা, কী বলেছেন?
মহিলাদের সম্পর্কে অশালীন এবং অপমানজনক মন্তব্য করার অভিযোগে আধ্যাত্মিক গুরু অনিরুদ্ধাচার্যের বিরুদ্ধে অবশেষে মামলা গ্রহণ করেছে আদালত। অল ইন্ডিয়া হিন্দু মহাসভার আগ্রা জেলার সভাপতি মীরা রাঠোর এই অভিযোগ করেছিলেন। চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM) আদালত তাঁর আবেদন গ্রহণ করেছে এবং আদালত আগামী ১লা জানুয়ারি মীরা রাঠোরের জবানবন্দি নেবে।

অক্টোবর মাস থেকেই সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। যেখানে অনিরুদ্ধাচার্য অল্পবয়সি মহিলাদের নিয়ে ও বিয়ে সম্পর্কিত কিছু মন্তব্য করেন। সেই ভিডিওটি সমাজমাধ্যমে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি করে। অনেক নেটিজেন এবং নারী সংগঠন তাঁর বক্তব্যকে 'অপমানজনক, নারীবিদ্বেষী ও পুরনো ধারণা ছড়ানো' বলে সমালোচনা করে। মীরা রাঠোরও প্রকাশ্যে বলেন, "একজন ধর্মীয় নেতার মুখে এরকম ধরনের ভাষা মানায় না।"
প্রথমে মীরা রাঠোর বৃন্দাবন থানায় অভিযোগ দায়ের করতে যান। কিন্তু সেইসময় পুলিশ তাঁর এফআইআর নেয়নি। পরে তাঁর আইনজীবী মনীশ গুপ্তকে সঙ্গে নিয়ে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তাঁর আইনজীবীর দাবি করেন, থানায় কোনও পদক্ষেপ না নেওয়ার কারণে তাঁরা আদালতে আবেদন করতে বাধ্য হয়েছেন।
মীরা রাঠোর জানান, তিনি এই ঘটনার প্রতিবাদে নিজের মনের মধ্যে তিনি একটি সংকল্প করেছিলেন। যতক্ষন না পর্যন্ত অভিযোগ গ্রহণ করা হবে না ততক্ষন পর্যন্ত তিনি তাঁর চুল বাঁধবেন না। তিনি বলেন, "অভিযোগ করার দিন থেকেই আমি চুল খোলা রেখেছি। নিজের মনের মধ্যে সংকল্প করেছিলাম যে, মামলা না নেওয়া পর্যন্ত চুল বাঁধব না। এখন আদালত সেই মামলা গ্রহণ করেছে। তাই হয়তো এবার চুল বাঁধব।"
তিনি দাবি করেছিলেন যে, মহিলাদের বিরুদ্ধে এরকম ধরনের অপমানজনক মন্তব্য করা ব্যক্তিকে শাস্তি দিয়ে জেলে পাঠানো উচিত।
সমালোচনার পর অনিরুদ্ধাচার্য জানান, তাঁর বক্তব্য ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃত করে সমাজমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে। তাঁর দাবি, "আমি শুধু নারীদের নয়, পুরুষদের সম্পর্কেও অনেক কিছু বলেছিলাম। একাধিক সম্পর্কে থাকা নারী যেমন চরিত্রহীন, তেমনই একাধিক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক রাখা পুরুষও চরিত্রহীন। প্রচার করা সেই ভিডিওটির মাঝের অংশ বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে।"
তাঁর কথায়, সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিও ক্লিপ তাঁর সম্পূর্ণ বক্তব্যের সঠিক রূপ নয়।












Click it and Unblock the Notifications