আসন ভাগাভাগি নিয়ে জট, ভাঙল ২৫ বছরের বিজেপি-শিবসেনা জোট

মহারাষ্ট্রে বিধানসভা আসন ২৮৮টি। প্রথমে শিবসেনা বলেছিল, তারা ১১৯টি আসনের বেশি দেবে না বিজেপিকে। এ নিয়ে শুরু হয় গণ্ডগোল। বিস্তর আলোচনার পর ১৩০টি আসন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয় বিজেপিকে। ১৫১টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার কথা ঘোষণা করে শিবসেনা। সাতটি অন্যান্য ছোট দলকে দেওয়া হয়।
কিন্তু বিজেপির মত ছিল, বালাসাহেব ঠাকরে মারা যাওয়ার পর ক্রমশ কমেছে শিবসেনার জনপ্রিয়তা। ফলে ১৩০-১৫১ ফর্মুলায় রাজি ছিল না বিজেপি। তারা আরও বেশি আসন দাবি করে। কিন্তু এ বার আর সুর নরম করতে রাজি হননি শিবসেনা সুপ্রিমো উদ্ধব ঠাকরে। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব চেষ্টা করলেও অনড় থাকেন উদ্ধব ঠাকরে। বিজেপি-ও শিবসেনার জেদ মানতে রাজি হয়নি। বৃহস্পতিবার অমিত শাহের মুম্বই আসার কথা ছিল। কিন্তু তিনি সফর বাতিল করে দেন। তখনই বোঝা যায়, ভিতরে ভিতরে কিছু একটা গণ্ডগোল বাধছে। সেই আশঙ্কাকে সত্যি প্রমাণ করে এ দিন বিকেলে দুই দলই জোট ভেঙে দেওয়ার কথা ঘোষণা করে। আর পরস্পর দোষ চাপিয়েছে পরস্পরের ঘাড়ে।
অন্যদিকে, আসন সমঝোতা নিয়ে কংগ্রেস ও এনসিপি-ও পরস্পরের বিরুদ্ধে তোপ দাগছে। এতদিন মহারাষ্ট্রের ছবিটা ছিল কংগ্রেস-এনসিপি বনাম বিজেপি-শিবসেনা জোট। যদি কংগ্রেস ও এনসিপি জোট ভেঙে যায়, তা হলে এ বার চতুর্মুখী লড়াই হবে মহারাষ্ট্রে। ভোট কাটাকাটিতে শেষ পর্যন্ত কে ক্ষমতায় আসবে, সেটাই দেখার। ভোটের পর বিজেপি ও শিবসেনা ফের জোট গড়তে পারে কি না, সেটাই এখন দেখার।












Click it and Unblock the Notifications