একদিনে ২৫ জনের মৃত্যু! করোনা সংক্রমণ কীভাবে ছড়াচ্ছে মুম্বই তথা মহারাষ্ট্রে?
কোভিড ১৯-এর থাবা ক্রমেই জাঁকিয়ে বসেছে মহারাষ্ট্রে। দেশের মধ্যে করোনার জেরে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্য মহারাষ্ট্র। ইতিমধ্যে সেই রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে হাজারের গণ্ডি। এর মধ্যে সবথেকে ক্ষতিগ্রস্ত মুম্বই। তারপরেই সব থেকে বেশি সংখ্যক আক্রান্ত হয়েছে সেরাজ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর পুনে।

মহারাষ্ট্রে ১৩০০ জন করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত
মহারাষ্ট্রে প্রায় ১ হাজার ৩০০ জন করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত। সেই পরিস্থিতিতে লকডাউন অন্তত ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়াতে কেন্দ্রের কাছে আর্জি জানিয়েছে মহারাষ্ট্র সরকার। পর্যালোচনার পর্বে রয়েছে সেই আর্জি। ১১ তারিখ মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের পর এই নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।

একদিনে মহারাষ্ট্রে মারা গিয়েছে ২৫ জন
ইতিমধ্যে মহারাষ্ট্র থেকে একদিনে ২৫ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। এই মৃত্যু ধরে রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা ৯৭। পাশাপাশি গত ৩৬ ঘণ্টায় সংক্রমণ ধরা পড়েছে ২২৯ জনের দেহে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, মৃত এবং সংক্রমিতের সংখ্যা ধরলে একদিনে এটাই সর্বাধিক। জানা গিয়েছে মুম্বই থেকে বেশি সংক্রমিতের খবর মিলেছে।

মুম্বইতে এখন শ্মশানের নিস্তব্ধতা
এদিকে মুম্বইতে এখন শ্মশানের নিস্তব্ধতা। মহারাষ্ট্রের মধ্যে সবচেয়ে বেশি করোনা আক্রান্ত রয়েছে বাণিজ্যনগরীতেই। সেখানে ৮০০-র বেশি জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। সেখানে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ওই মারণ ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৩৪ জনের।

মুম্বইয়ের সব থেকে বড় আতঙ্কের কারণ এখন ধারাভি
এছাড়া মুম্বইয়ের সব থেকে বড় আতঙ্কের কারণ এখন ধারাভিতে করোনার সংক্রমণ। ধীরে ধীরে এবার করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে এশিয়ার বৃহত্তম বস্তি ধারাভিতে। এর জেরে সেখানে মোট ৭ জন এখনও করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ১০ লক্ষের বাসস্থান এই বস্তিতে দ্রুত করোনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এবং তা হলে মুম্বই তো বটেই, গোটা দেশে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

সিল করা হয়েছে এশিয়ার সর্ববৃহৎ বস্তি
সূত্রের খবর, ঘনবসতি পূর্ণ এলাকা হওয়ায় ওই অঞ্চলে খুব তাড়াতাড়ি করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই কোনও ঝুঁকি না নিয়ে ওই বস্তি এলাকার পুরোটাই "সিল" করে দেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা ৫ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে থাকা ওই বস্তিতে গা ঘেঁষাঘেঁষি করে থাকেন কমপক্ষে ১০ লক্ষ মানুষ, ফলে দ্রুত হারে ছড়াতে পারে সংক্রমণ।












Click it and Unblock the Notifications