টিকাকরণের ডেডলাইন ছুঁতে অর্থমন্ত্রক কোন পদক্ষেপের দিকে ঝুঁকছে, পাখির চোখ চাঙ্গা অর্থনীতি
করোনার জেরে গত কয়েক মাসে কার্যত ধুঁকে পড়েছে অর্থনীতি। দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে বারবার বহু আর্থিক প্যাকেজ দিয়েছে অর্থমন্ত্রক। তবে করোনার প্রথম স্রোতের মতো দ্বিতীয় স্রোতেও সংক্রমণের জেরে বহু রাজ্যে কার্যত স্থানীয় লকডাউন ছিল। ফলে বহু জায়গায় উৎপাদন ক্ষেত্রে বন্ধ ছিল। যার বৃহত্তর প্রভাব দেশের অর্থনীতিতে পড়েছে।

এদিকে, এই সংকট কাটিয়ে কেন্দ্র চাইছে জলদি বেরিয়ে আসতে। আর সেই সংকট কাটিয়ে বেরিয়ে আসার একমাত্র উপায় দেশ জোড়া ভ্যাকসিনেশন। ভ্যাকসিনের জেরেই একমাত্র হার্ড ইমিউনিটি তৈরি হতে পারে একটি এলাকায়। ফলে কিছুটা হলেও তার জেরে উৎপাদন ক্ষেত্রগুলি চাঙ্গা হতে পারে। সেই জায়গা থেকে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক চাইছে ভ্যাকসিনেশনের জন্য ২৪x৭ এর পদ্ধতিতে এগিয়ে যেতে। ফলে এবার থেকে সারাদিন ধরে দেশ ভ্যাকসিনেশন প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখলেই একমাত্র সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশের ৭৭ কোটি মানুষ ভ্যাকসিনের প্রথন ডোজ পাবেন। এই ডেডলাইন আগেই বেঁধে রেখেছে মোদী সরকার।
কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক জানিয়েছে এখনও পর্যন্ত দেশে ১৯.২ কোটি মানুষ করোনার টিকা পেয়েছেন। এঁরা একটি টিকার ডোজই পেয়েছেন। তবে ৪.৭ কোটি জন কেবলমাত্র পেয়েছেন দুটি টিকার ডোজ। এই জায়গা থেকে যদি সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশে ৭০ কোটি মানুষকে সম্পূর্ণ টিকাকরণ করাতে হয়, তাহলে ১১৩ টি ডোজ লাগবে। কেন্দ্র ভ্যাকসিনেশনের রাশ হাতে নিয়েই এবার চাইছে দিন রাত এক করে রোজই ভ্যাকসিনেশন প্রক্রিয়া চালু থাকুক।
সারা দেশে ব্যাকসিনেশনের গতি আনতে আরএ সেন্টার বাড়াতে চাইছে কেন্দ্র। এরমধ্যে স্বাস্থ্য কন্দ্রের সংখ্য়া বাড়ানো থেকে শুরু করে বাকি জায়গাগুলিতেও ভ্যাকসিনেশনের জন্য দায়গা খোঁজা শুরু হয়েছে। করোনার পরিস্থিতির জেরে যেভাবে ভারতের অর্থনীতিতে প্রবল ধাক্কা লেগেছে সেই দিক থেকে আপাতত অর্থনীতিকে তাঙ্গা করতে চাই শ্রম। যে শ্রম আসবে মানুষের কাছ থেকে। আর এই শ্রম পেতে গেলে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হবে। এই চ্যালেঞ্জ সামনে নিয়ে এবার এগোতে চাইছে কেন্দ্র। তবে এই অভিযানে বড় চিন্তার কারণ হয়ে গিয়েছে গ্রাম। করোনার দ্বিতীয় স্রোতে দেশের বহু গ্রামাঞ্চলে করোনা যেভাবে ছড়িয়েছে, তাতে গ্রামাঞ্চলে ভ্যাকসিনেশন অত্যন্ত জরুরি।












Click it and Unblock the Notifications