CAA ঘিরে উত্তপ্ত পরিস্থিতিও বিজেপির ভোটব্যাঙ্কে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে! পদ্মশিবিরের কোন দাবি
নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে প্রতিবাদে উত্তাল উত্তরপূর্ব ভারত থেকে বাংলা। ইতিমধ্যেই দেশের ৩ টি রাজ্য সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে তারা নাগরিকত্ব আইন লাগু করবে না।
নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে প্রতিবাদে উত্তাল উত্তরপূর্ব ভারত থেকে বাংলা। ইতিমধ্যেই দেশের ৩ টি রাজ্য সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে তারা নাগরিকত্ব আইন লাগু করবে না। পাঞ্জাব, কেরলের পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পশ্চিমবঙ্গেও এই আইন লাগু হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে, চলতি সপ্তাহ জুড়ে অগ্নিগর্ভ হয়েছে অসম, ত্রিপুরা। আগুন জ্বলেছে বাংলায়। বহু জায়গায় বিজেপি নেতাদের নিশানা করে আক্রমণও শানানো হয়েছে। আর আসবের পরে বিজেপি মনে করছে যে পরিস্থিতি যেদিকেই যাক রাজনৈতিক অঙ্কে তাঁরা এগিয়েই থাকবে।

২০২১ সামনে রেখে বিজেপির তোপ তৃণমূলকে
আগামী ২০২১ সালে বাংলায় হাইভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে পিচ নিজের দখলে রাখতে মরিয়া তৃণমূল ও বিজেপি। এরইমধ্যে মাথাচাড়া দিচ্ছে আসাদউদ্দিন আওয়েসির এআইএমএম। এমন পরিস্থিতিতে বাংলা উত্তপ্ত নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে। এদিকে নাম না করে তৃণমূলকে তোপ দেগে বাংলার বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের দাবি, বাংলায় যা হচ্ছে তা একটি বিশেষ দলের মদতে হচ্ছে। যাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারের আইনের বিরোধিতা করেছেন। আর সেই দলের সমর্থকরাই এমন কাণ্ড বাংলায় ঘটাচ্ছে। ফলে প্রশ্ন উঠছেই যে যখন শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে, তাতেও তৃণমূলের সমস্যা। আবার যখন এনআরসি হয়েছে অসমে তখনও তৃণমূল প্রশ্ন তুলেছে। ফলে তৃণমূলের অবস্থান অস্পষ্ট। আর সেই সিএএ নিয়ে এত বিক্ষোভের পরও তাই মানুষ বিজেপিকেই সমর্থন করবে বলে আশাবাদী বিজেপি।

২০২১ এর আগে আত্মবিশ্বাসী বাংলা বিজেপি
রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের দাবি, মসনদ হারাবার ভয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল এমন হিংসায় মদত দিচ্ছে। যাতে বিজেপির বিরুদ্ধে মানুষ যায়। তবে এমন হিংসাই প্রমাণ করে দিচ্ছে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী কাদের ভোটব্যাঙ্ক! ফলে সিএএ নিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলেও বিজেপি বাংলায় ২০২১ ভোটে জয়ের বিষয়ে আশাবাদী বলেই মনে করছেন দিলীপ ঘোষ।

ববি হাকিমের বার্তা বিজেপির হাত শক্ত না করতে
বাংলা জুড়ে বাড়তে থাকা সিএএ নিয়ে বিক্ষোভ পরোক্ষে বিজেপির হাতকেই শক্ত করবে বল শনিবারই বার্তা দেন রাজ্যের তৃণমূল নেতা তথা কলকতার মেয়র ববি হাকিম। তাই আইন হাতে তুলে না নিয়ে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই এমন আন্দোলনে নামা উচিত বলে তিনি বার্তা দেন।

অসমেও আশাবাদী বিজেপি
প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে অসম, কেরল, তামিলনাড়ু, পুদুচেরি, পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। কিন্তু অসমের বিজেপি সরকারের কাছেও নাগরিকত্ব ইস্যুতে এমন উত্তাল প্রতিবাদ ভোটব্যাঙ্কে খরা ফেলার অশনী সংকেত বলে অনেকেই মনে করছেন। এই বিষয়কে কার্যত নস্যাৎ করে সোনের এক বিজেপি নেতার দাবি, অসমের মানুষ 'বহিরাগত' ইস্যুতে বহুদিন ধরেই অস্বস্তিতে। এই প্রথমবার কোনও সরকার অই বিষয়ে ব্যবস্থা নিয়েছে। ফলে ২০২১ সালের নির্বাচনে অসমে নাগরিকত্ব ইস্যু বিজেপির হাত শক্তই করবে বলে মনে করা হচ্ছে পদ্মশিবিরে।












Click it and Unblock the Notifications