২০০২-২০১৫ : দেখে নিন হিট অ্যান্ড রান মামলার টাইম লাইন
মুম্বই, ৬ মে : হিট অ্যান্ড রান মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন বলিউড সুপারস্টার সলমন খান। প্রায় ১৩ বছর পর এদিন আদালতের রায় সামনে এল।
বিচারক সলমন খানকে বলেন, সেদিন মদ্যপ অবস্থায় আপনিই গাড়ি চালাচ্ছিলেন তা প্রমাণিত। লাইসেন্স ছাড়াই গাড়ি চালাচ্ছিলেন আপনি। আপনার বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ প্রমাণিত। এবিষয়ে সলমনের কিছু বলার আছে কি না জানতে চান বিচারক। বিচারকের প্রশ্নে কোনও উত্তর দেননি সলমন। দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে চলা এই হাইভোল্টেজ মামলার টাইমলাইন দেখে নিনি নিচে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০০২ : সলমনের সাদা রঙের টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার বান্দ্রার হিল রোডের আমেরিকান বেকারির সামনের রাস্তায় শুয়ে থাকা একজনকে পিষে দেয়। ঘটনায় আহত হন আরও চারজন। সেদিনই সলমনের রক্তের নমুনা নেওয়া হয় এবং গ্রেফতার করা হলেও জামিন পেয়ে যান তিনি।
অক্টোবর ১ : ভারতীয় দণ্ডবিধির মোটর ভেলিকেলস অ্যাক্ট ও বম্বে প্রোহিবিশন অ্যাক্ট মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
অক্টোবর ২০০২ : মুম্বই পুলিশ মামলায় ৩০৪-খ ধারা যোগ করে যার সর্বোচ্চ সাজা হতে পারে ১০ বছর।
অক্টোবর ৭ : সলমন বান্দ্রা পুলিশের কাছে ধরা দেন এবং তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
অক্টোবর ২১ : বান্দ্রা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সলমনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করে পুলিশ।
অক্টোবর ২৪ : সলমন ফের জামিন পান।
মার্চ ২০০৩ : ৩০৪ ধারার বিরুদ্ধে মুম্বই আদালতে আবেদন করেন সলমন।
মে ২০০৩ : সলমনের আর্জি খারিজ করে দেয় আদালত এবং চার্জ গঠন করতে বলে।
জুন ২০০৩ : ৩০৪ ধারার বিরুদ্ধে বম্বে হাইকোর্টে আপিল করেন সলমন। হাইকোর্ট জানায় এই মামলায় ৩০৪ ধারার কোনও প্রয়োজন নেই।
অক্টোবর ২০০৩ : বম্বে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করে মহারাষ্ট্র সরকার।
ডিসেম্বর ২০০৩ : সর্বোচ্চ আদালত রায় দেয় যে ৩০৪ ধারার বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।
অক্টোবর ২০০৬ : ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট সলমনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে।
অক্টোবর ২০০৭ : পুলিশের দেহরক্ষী রবীন্দ্র পাতিল যিনি প্রথম এফআইআর করেন, তিনি যক্ষায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
অক্টোবর ২০১১ : বাদী পক্ষ সলমনের আরও কঠোর ধারার আবেদন করেন।
ডিসেম্বর ২০১৩ : অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্য়াজিস্ট্রেট ভি এস পাতিল ১৭ জন সাক্ষীর বয়ান শুনে জানান নরহত্য়া বা হোমিসাইডের চার্জ ঠিক নয়।
জুন ২৪, ২০১৩ : মুম্বইয়ের দায়রা আদালত এই দাবি কারিজ করে হোমিসাইডের ধারা বজায় রাখে।
এপ্রিল ২৭, ২০১৪ : নতুন করে শুনানি শুরু হয় হিট অ্যান্ড রান মামলার।
জুলাই ২০১৪ : এই মামলার ৬৩ জন সাক্ষীর বয়ান সহ কেস ডায়েরি বান্দ্রা থানা থেকে খোয়া যায়।
সেপ্টেম্বর ২০১৪ : কেস ডায়েরি পুনরুদ্ধার হয় এবং আদালতে পেশ করা হয়।
মার্চ ২৫, ২০১৫ : ২৪ জন সাক্ষীর বয়ান নেওয়ার পর শুনানি শেষ হয়।
মার্চ ২৭, ২০১৫ : সলমন খানের বয়ান রেকর্ড করা হয়।
মার্চ ৩১, ২০১৫ : সলমনের ড্রাইভার অশোক সিং জানান, ঘটনার দিন সলমন নন, তিনিই গাড়ি চালাচ্ছিলেন।
এপ্রিল ২০ : বাদী-বিবাদী দুইপক্ষেরই যুক্তিতক্কো শেষ হয়।
এপ্রিল ২১, ২০১৫ : আদালত জানায় ৬ মে রায় ঘোষণা হবে এই মামলার।
৬ মে, ২০১৫ : সলমন খানের বিরুদ্ধে সব অভিযোগ প্রমাণিত বলে জানায় আদালত। হিট অ্যান্ড রান মামলায় দোষী সাব্যস্ত সলমন খান।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত












Click it and Unblock the Notifications